মাদারীপুর প্রতিনিধি

মোবাইলে কল দিয়ে ডেকে নিয়ে মাদারীপুরে সবুজ মৃধা নামে এক যুবকের দুই হাত ও পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের (মেডিকেল অফিসার) চিকিৎসক শাওলীন আফরোজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আহত যুবকের দুই হাত ও পায়ের ৯০ ভাগ কেটে ফেলেছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
পুলিশ, আহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকার বাদশা মৃধার ছেলে সবুজ মৃধা (৩০) মঙ্গলবার বিকেলে মোবাইলে জরুরি কল পেয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। রিকশা করে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় যাওয়ার পথে পৌরসভার বটতলা এলাকায় আসলে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাঁর দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে ফেলে তারা।
এ সময় সবুজের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় সবুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আহত সবুজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতও আছে।
আহত যুবকের বাবা বাদশা মৃধা বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর হামলার ঘটনায় অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচার চাই। এভাবে আমার ছেলের ওপর হামলা করেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।’
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা হতে পারে।

মোবাইলে কল দিয়ে ডেকে নিয়ে মাদারীপুরে সবুজ মৃধা নামে এক যুবকের দুই হাত ও পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের (মেডিকেল অফিসার) চিকিৎসক শাওলীন আফরোজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আহত যুবকের দুই হাত ও পায়ের ৯০ ভাগ কেটে ফেলেছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
পুলিশ, আহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার নতুন মাদারীপুর এলাকার বাদশা মৃধার ছেলে সবুজ মৃধা (৩০) মঙ্গলবার বিকেলে মোবাইলে জরুরি কল পেয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান। রিকশা করে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় যাওয়ার পথে পৌরসভার বটতলা এলাকায় আসলে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাঁর দুই হাত ও দুই পায়ের রগ কেটে ফেলে তারা।
এ সময় সবুজের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর অবস্থায় সবুজকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া আহত সবুজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতও আছে।
আহত যুবকের বাবা বাদশা মৃধা বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর হামলার ঘটনায় অপরাধীদের খুঁজে বের করে বিচার চাই। এভাবে আমার ছেলের ওপর হামলা করেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।’
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, হামলার ঘটনায় বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের ধরতে অভিযান শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা হতে পারে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে