শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ পেশিশক্তি কিংবা বন্দুকের নলের সাহায্যে নয়, জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। জনগণ শেখ হাসিনা সরকারকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে বারবার নির্বাচিত করছেন।’
আজ বুধবার দুপুরে মাদারীপুর শহরের স্বাধীনতা অঙ্গনে আসমত আলী খান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা ও অপারেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি রাজধানী ঢাকায় লাখ লাখ মানুষ নিয়ে সমাবেশ করবে। তারা সেখানেই সরকার গঠন করবে বলে শোনা যায়। কিন্তু রাস্তাঘাট বন্ধ করে সমাবেশ করলে, জনগণের জানমালের ক্ষতি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিহত করবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কথা বিশ্বাস করেন। এ জন্য দেশের সবখানে একটি কথা শোনা যায়; শেখ হাসিনার বিকল্প কিছু নেই। সারা বাংলাদেশ নির্বাচনের জন্য তৈরি হচ্ছে, দেশের জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও ক্ষমতায় এনে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে বাঁচতে দেয়নি। তাদের ধারণা ছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার শরীরে থাকবে, সেই ঘুরে দাঁড়াবে। ইতিহাসে এমন হত্যাকাণ্ড আর একটিও নেই। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই এ দেশ উন্নত দেশে পরিণত হতো।’
পাঁচ দিনব্যাপী এ চিকিৎসা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আসমত আলী খান ফাউন্ডেশনের সভাপতি বেগম রোকেয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।
আরও উপস্থিত ছিলেন, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ, মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাফিজুর রহমান খান প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ পেশিশক্তি কিংবা বন্দুকের নলের সাহায্যে নয়, জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে। জনগণ শেখ হাসিনা সরকারকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে বারবার নির্বাচিত করছেন।’
আজ বুধবার দুপুরে মাদারীপুর শহরের স্বাধীনতা অঙ্গনে আসমত আলী খান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঠোঁটকাটা ও তালুকাটা রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা ও অপারেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি রাজধানী ঢাকায় লাখ লাখ মানুষ নিয়ে সমাবেশ করবে। তারা সেখানেই সরকার গঠন করবে বলে শোনা যায়। কিন্তু রাস্তাঘাট বন্ধ করে সমাবেশ করলে, জনগণের জানমালের ক্ষতি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিহত করবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কথা বিশ্বাস করেন। এ জন্য দেশের সবখানে একটি কথা শোনা যায়; শেখ হাসিনার বিকল্প কিছু নেই। সারা বাংলাদেশ নির্বাচনের জন্য তৈরি হচ্ছে, দেশের জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও ক্ষমতায় এনে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করবে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আরও বলেন, ‘স্বাধীনতা বিরোধীরা বঙ্গবন্ধুকে বাঁচতে দেয়নি। তাদের ধারণা ছিল বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার শরীরে থাকবে, সেই ঘুরে দাঁড়াবে। ইতিহাসে এমন হত্যাকাণ্ড আর একটিও নেই। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে অনেক আগেই এ দেশ উন্নত দেশে পরিণত হতো।’
পাঁচ দিনব্যাপী এ চিকিৎসা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আসমত আলী খান ফাউন্ডেশনের সভাপতি বেগম রোকেয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।
আরও উপস্থিত ছিলেন, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, পৌর মেয়র খালিদ হোসেন ইয়াদ, মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাফিজুর রহমান খান প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে