
তিস্তা নদীর স্রোতে ভেসে আসা লাশটি ভারতের সিকিমের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী রাম চন্দ্র (আর সি) পাউডেলের (৮০) বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার উভয় দেশের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে তাঁর লাশ হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে সোমবার দুপুরে আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের সলেডি স্প্যার বাঁধ এলাকার মাঝের চর থেকে হাত বাঁধা গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হাত বাঁধা থাকায় পুলিশের ধারণা, তাঁকে হত্যা করে তিস্তার উজানে ভারতীয় অংশে মরদেহ ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।
মরদেহের হাতে একটি ঘড়ি থাকলেও পরনে কোনো পোশাক ছিল না। দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় মরদেহটিতে পচন ধরায় পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছিল না। এ জন্য লাশটি লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা ছিল। পরে হাতঘড়ি ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ৭ জুলাই সেটিপুলে ভগ্নিপতির বাসভবনে যাওয়ার জন্য বের হয়ে নিখোঁজ হন আর সি পাউডেলে। পরে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধব বিভিন্ন স্থানে খুঁজে তাঁর সন্ধান না পেয়ে স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের ৮ দিন পরে আদিতমারীতে তিস্তা নদীতে লাশ ভেসে ওঠে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তিস্তা নদীর বাঁ তীরের উপজেলার সলেডি স্প্যার বাঁধ-২ এলাকার মাঝের চরে তিস্তার পানি কমে গেলে চরে একটি লাশ আটকে যায়। এটি দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ অজ্ঞাতনামা লাশটি উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী বলেন, দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় মরদেহে পচন ধরায় পরিচয় শনাক্ত করতে বিলম্ব হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের পরে মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে বুড়িমারী স্থলবন্দর চেকপোস্টে পাঠানো হয়েছে। সেখানে উভয় দেশের প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মুরাদপুর কনভেনশন সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তার একই প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ। তাদের তিন সন্তান রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ৩০ মে রাজাসন পালোয়ান মার্কেটের সামনে সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় ছাত্রদল নেতা সামিরের এক সহযোগীর সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হন এবং বিষয়টি সামিরকে জানান...
৫ ঘণ্টা আগে
রংপুরের পীরগাছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন নুসরাত জাহান নূপুর। ছেলের পরিবার গরিব হওয়ায় এ বিয়ে মেনে নেয়নি নূপুরের পরিবার। পরে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে নির্যাতন করা হয় নূপুর ও তার স্বামীকে। মার খেয়ে স্বামী চলে গেলে এলাকায় প্রচার করা হয় নূপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিন সদস্যকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সঠিক বিচার দাবি করেছেন বেঁচে যাওয়া জুনায়েদ ইসলাম শিফাত।
৬ ঘণ্টা আগে