পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের কাজ বিজিবির বাধায় বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়ন সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে।
আজ বুধবার বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রংপুর-৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সেলিম আলদীন সীমান্তে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার বিষয়ের সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি ও স্থানীয়রা জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রধান ডিএএমপি পিলার ৮ নম্বরের ৫১ নম্বর সাব-পিলার দহগ্রাম সরকারপাড়া এলাকায় শূন্যরেখায় সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছিল। গতকাল দুপুরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিএসএফের ৬ ব্যাটালিয়নের অরুণ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের সহায়তায় এই নির্মাণকাজ করতে থাকেন ভারতীয় ১৫ থেকে ২০ জন নাগরিক।
অবৈধভাবে কাঁটাতারের বেড়া ও লোহার খুঁটি দিয়ে ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের কাজ করার খবর জানতে পেরে বিজিবির দহগ্রাম ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। এরপরও বিএসএফের সদস্যরা শ্রমিকদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় বিজিবির সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আবারও কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে সীমান্তের ১৫০ গজ শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যান। এর আধঘণ্টা পর নির্মাণকাজের মালামাল ও সরঞ্জাম ভারতের ভেতরে নিয়ে যান বিএসএফ সদস্যরা।
এ ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রংপুর ৫১ ব্যাটালিয়নের পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার মো. জামিল হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক মৌখিক প্রতিবাদ জানানো হয়। পুরো সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রংপুর ৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সেলিম আলদীন বলেন, সীমান্ত আইন না মেনে শূন্যরেখায় বিএসএফের সহায়তায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে দেবে না বিজিবি। কোনো অবস্থাতেই করতে দেওয়া হবে না। নির্মাণের বিষয়ে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে এবং ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে শূন্যরেখায় কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের কাজ বিজিবির বাধায় বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়ন সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে।
আজ বুধবার বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রংপুর-৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সেলিম আলদীন সীমান্তে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার বিষয়ের সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি ও স্থানীয়রা জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রধান ডিএএমপি পিলার ৮ নম্বরের ৫১ নম্বর সাব-পিলার দহগ্রাম সরকারপাড়া এলাকায় শূন্যরেখায় সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হচ্ছিল। গতকাল দুপুরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিএসএফের ৬ ব্যাটালিয়নের অরুণ ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যদের সহায়তায় এই নির্মাণকাজ করতে থাকেন ভারতীয় ১৫ থেকে ২০ জন নাগরিক।
অবৈধভাবে কাঁটাতারের বেড়া ও লোহার খুঁটি দিয়ে ল্যাম্পপোস্ট স্থাপনের কাজ করার খবর জানতে পেরে বিজিবির দহগ্রাম ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধা দেন। এরপরও বিএসএফের সদস্যরা শ্রমিকদের নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। এ সময় বিজিবির সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আবারও কাজে বাধা দেন। একপর্যায়ে নির্মাণকাজ বন্ধ রেখে সীমান্তের ১৫০ গজ শূন্যরেখা অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে চলে যান। এর আধঘণ্টা পর নির্মাণকাজের মালামাল ও সরঞ্জাম ভারতের ভেতরে নিয়ে যান বিএসএফ সদস্যরা।
এ ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রংপুর ৫১ ব্যাটালিয়নের পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার মো. জামিল হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক মৌখিক প্রতিবাদ জানানো হয়। পুরো সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রংপুর ৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সেলিম আলদীন বলেন, সীমান্ত আইন না মেনে শূন্যরেখায় বিএসএফের সহায়তায় কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে দেবে না বিজিবি। কোনো অবস্থাতেই করতে দেওয়া হবে না। নির্মাণের বিষয়ে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে এবং ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে