লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটে নির্বাচন বর্জন ও হরতাল সমর্থনে লাঠি মিছিল করেছে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা।
আজ শনিবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম আনন্দের নেতৃত্বে শহরের প্রাণ কেন্দ্র মিশন মোড়ে লাঠি মিছিল বের করা হয়।
পুলিশ নির্বাচনের দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শহরের প্রাণ কেন্দ্র মিশন মোড়ে লাঠি মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে বিএনপি।
লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম আনন্দ বক্তব্যে বলেন, ‘আসুন আমরা আওয়ামী লীগের এই সিলেকশন নির্বাচন বর্জন করি।’
মিছিলে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা হাতে লাঠি নিয়ে হরতালের সমর্থনে ও ডামি নির্বাচন বর্জনের স্লোগান দেন।

লালমনিরহাটে নির্বাচন বর্জন ও হরতাল সমর্থনে লাঠি মিছিল করেছে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা।
আজ শনিবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম আনন্দের নেতৃত্বে শহরের প্রাণ কেন্দ্র মিশন মোড়ে লাঠি মিছিল বের করা হয়।
পুলিশ নির্বাচনের দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শহরের প্রাণ কেন্দ্র মিশন মোড়ে লাঠি মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে বিএনপি।
লালমনিরহাট জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম আনন্দ বক্তব্যে বলেন, ‘আসুন আমরা আওয়ামী লীগের এই সিলেকশন নির্বাচন বর্জন করি।’
মিছিলে ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা হাতে লাঠি নিয়ে হরতালের সমর্থনে ও ডামি নির্বাচন বর্জনের স্লোগান দেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৩ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে