পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী মাহফুজ ইসলাম ইমন (১৬) ও তার মামা সাজেদুল ইসলামকে (২২) ধরে নিয়ে যাওয়ার আট ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে তাদের ফেরত দেয় বিএসএফ।
ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, তাদের ফেরত দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৪২ নম্বরের ১ নম্বর উপপিলারের বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থলবন্দর শূন্যরেখা থেকে পাঁচ গজ অভ্যন্তরে উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয়।
বৈঠকে বিজিবির ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) রংপুরের বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আবুল কাশেমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য ও ভারতের কোচবিহার রাজ্যের মেখলিগঞ্জ ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ড্যান্ট ইন্সপেক্টর সুজিত কুমারের নেতৃত্বে পাঁচজন সদস্য অংশ নেন।
বৈঠকে দুই বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানায় বিজিবি। তারা জানিয়েছে, বিএসএফের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা বাংলাদেশের ১০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করে গাটিয়ারভিটা এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যায়। বিএসএফ এ কথা অস্বীকার করে জানায়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ওই দুই বাংলাদেশি ভারতের ভেতরে ঢুকে ছবি ও ভিডিও করতে থাকে।
ভারতীয় পক্ষ এ সময় দাবি করে যে, ঘটনার সময় বিএসএফ ওই দুই বাংলাদেশিকে চলে যেতে বললে তাঁরা ফিরে না গিয়ে আপত্তিকর কথা বলে এবং বিএসএফ সদস্যদের ভিডিও করতে থাকে। এতে ওই দুজনকে আটক করে নিয়ে যায় তারা। বৈঠকে বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্ত অতিক্রম না করতে বিজিবিকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তারা। আলোচনা শেষে ইমন ও সাজেদুলকে বিজিবি প্রতিনিধিদলের কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। রাতেই স্বজন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইমন পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর গাটিয়ারভিটা এলাকার মোস্তাক হোসেনের ছেলে। আর সাজেদুল বগুড়ার মহাস্থানগড়ের বকুলতলা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। সাজেদুল পাটগ্রামের এলাকায় বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ভাগনে ইমনকে নিয়ে বাড়ির পাশের সীমান্তে চা-বাগান দেখতে যান।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮২৫ নম্বরের ১ নম্বর উপপিলারসংলগ্ন শূন্যরেখার ভারতীয় চা-বাগান দেখতে যায় ইমন ও সাজেদুল। এ সময় মোবাইল ফোনে নিজেদের ছবি তোলার সময় ভারতের কোচবিহার রাজ্যের মেখলিগঞ্জ ৯৮-বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের ধরে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ (তিস্তা-২) ধবলসুতি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোক্তার হোসেন বিএসএফের ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানান। পরে রাত আড়াইটায় পতাকা বৈঠক হয়।
পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান বলেন, ‘রাতে সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশি দুজনকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। পরে তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে বিজিবি।’
বিজিবি-৬১ (তিস্তা-২)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মুহাম্মদ মুসাহিদ মাসুম বলেন, ‘বিএসএফ জানিয়েছে, ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে ভিডিও করার সময় ওই দুজনকে ধরে নিয়ে যায় তারা। বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে যোগাযোগ করে রাতেই পতাকা বৈঠক করে তাদের ফেরত আনা হয়।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্ত থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী মাহফুজ ইসলাম ইমন (১৬) ও তার মামা সাজেদুল ইসলামকে (২২) ধরে নিয়ে যাওয়ার আট ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে তাদের ফেরত দেয় বিএসএফ।
ফেরত দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, তাদের ফেরত দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮৪২ নম্বরের ১ নম্বর উপপিলারের বাংলাদেশের বুড়িমারী স্থলবন্দর শূন্যরেখা থেকে পাঁচ গজ অভ্যন্তরে উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয়।
বৈঠকে বিজিবির ৬১ ব্যাটালিয়নের (তিস্তা-২) রংপুরের বুড়িমারী কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আবুল কাশেমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্য ও ভারতের কোচবিহার রাজ্যের মেখলিগঞ্জ ৯৮ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কোম্পানি কমান্ড্যান্ট ইন্সপেক্টর সুজিত কুমারের নেতৃত্বে পাঁচজন সদস্য অংশ নেন।
বৈঠকে দুই বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিবাদ জানায় বিজিবি। তারা জানিয়েছে, বিএসএফের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা বাংলাদেশের ১০ গজ অভ্যন্তরে প্রবেশ করে গাটিয়ারভিটা এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে যায়। বিএসএফ এ কথা অস্বীকার করে জানায়, আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে ওই দুই বাংলাদেশি ভারতের ভেতরে ঢুকে ছবি ও ভিডিও করতে থাকে।
ভারতীয় পক্ষ এ সময় দাবি করে যে, ঘটনার সময় বিএসএফ ওই দুই বাংলাদেশিকে চলে যেতে বললে তাঁরা ফিরে না গিয়ে আপত্তিকর কথা বলে এবং বিএসএফ সদস্যদের ভিডিও করতে থাকে। এতে ওই দুজনকে আটক করে নিয়ে যায় তারা। বৈঠকে বাংলাদেশি নাগরিকদের সীমান্ত অতিক্রম না করতে বিজিবিকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানান বিজিবি কর্মকর্তারা। আলোচনা শেষে ইমন ও সাজেদুলকে বিজিবি প্রতিনিধিদলের কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। রাতেই স্বজন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইমন পাটগ্রাম উপজেলার পাটগ্রাম সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের রহমতপুর গাটিয়ারভিটা এলাকার মোস্তাক হোসেনের ছেলে। আর সাজেদুল বগুড়ার মহাস্থানগড়ের বকুলতলা গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে। সাজেদুল পাটগ্রামের এলাকায় বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে ভাগনে ইমনকে নিয়ে বাড়ির পাশের সীমান্তে চা-বাগান দেখতে যান।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান পিলার ৮২৫ নম্বরের ১ নম্বর উপপিলারসংলগ্ন শূন্যরেখার ভারতীয় চা-বাগান দেখতে যায় ইমন ও সাজেদুল। এ সময় মোবাইল ফোনে নিজেদের ছবি তোলার সময় ভারতের কোচবিহার রাজ্যের মেখলিগঞ্জ ৯৮-বিএসএফ ব্যাটালিয়নের গোমতি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের ধরে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬১ (তিস্তা-২) ধবলসুতি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোক্তার হোসেন বিএসএফের ক্যাম্প কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানান। পরে রাত আড়াইটায় পতাকা বৈঠক হয়।
পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান বলেন, ‘রাতে সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশি দুজনকে ফেরত দিয়েছে বিএসএফ। পরে তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে বিজিবি।’
বিজিবি-৬১ (তিস্তা-২)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মুহাম্মদ মুসাহিদ মাসুম বলেন, ‘বিএসএফ জানিয়েছে, ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে ভিডিও করার সময় ওই দুজনকে ধরে নিয়ে যায় তারা। বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন ও সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে যোগাযোগ করে রাতেই পতাকা বৈঠক করে তাদের ফেরত আনা হয়।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে