লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে অবৈধভাবে মজুতের অভিযোগে হিরা লাল রায় নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়ি, দোকান ও গুদাম থেকে ৩৩১ বস্তা সার জব্দ ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের আরাজি দেওডোবা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব সার জব্দ ও জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আদিতমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওজাতুন জান্নাত।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রবি মৌসুমে ফসল চাষাবাদের শুরুতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন কতিপয় ব্যবসায়ী। এ কারণে জেলাব্যাপী সার নিয়ে কৃষকদের মাঝে হাহাকার উঠেছে। সারের বাজার নিয়ন্ত্রণে মজুতদার ও অবৈধ সার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওজাতুন জান্নাত এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওমর ফারুক পুলিশ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানের সময় উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের আরাজি দেওডোবা গ্রামের হিরা লাল রায়ের দোকান, বাড়ি ও ভাড়া নেওয়া গুদামসহ চার স্থান থেকে প্রায় ৩৩১ বস্তা সার জব্দ করে। অবৈধভাবে সার মজুতের অপরাধে তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আদিতমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওজাতুন জান্নাত বলেন, হিরা লাল রায় নামের একজন অনুমোদনহীন সার বিক্রেতার দোকান বাড়ি ও পাশের বাড়িতে অবৈধ মজুত করে রাখা ৩৩১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। সার মজুতের দায়ে তাঁর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ‘সারের অবৈধ মজুত রোধে জেলাব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ মজুতের দায়ে সার জব্দসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। জেলায় সারের কোনো সংকট নেই।’ অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দাম রোধে স্থানীয় কৃষি বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে অবৈধভাবে মজুতের অভিযোগে হিরা লাল রায় নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়ি, দোকান ও গুদাম থেকে ৩৩১ বস্তা সার জব্দ ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের আরাজি দেওডোবা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এসব সার জব্দ ও জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আদিতমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওজাতুন জান্নাত।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রবি মৌসুমে ফসল চাষাবাদের শুরুতে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছেন কতিপয় ব্যবসায়ী। এ কারণে জেলাব্যাপী সার নিয়ে কৃষকদের মাঝে হাহাকার উঠেছে। সারের বাজার নিয়ন্ত্রণে মজুতদার ও অবৈধ সার বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে জেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আদিতমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওজাতুন জান্নাত এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওমর ফারুক পুলিশ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
অভিযানের সময় উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের আরাজি দেওডোবা গ্রামের হিরা লাল রায়ের দোকান, বাড়ি ও ভাড়া নেওয়া গুদামসহ চার স্থান থেকে প্রায় ৩৩১ বস্তা সার জব্দ করে। অবৈধভাবে সার মজুতের অপরাধে তাঁকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আদিতমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওজাতুন জান্নাত বলেন, হিরা লাল রায় নামের একজন অনুমোদনহীন সার বিক্রেতার দোকান বাড়ি ও পাশের বাড়িতে অবৈধ মজুত করে রাখা ৩৩১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। সার মজুতের দায়ে তাঁর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, ‘সারের অবৈধ মজুত রোধে জেলাব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হচ্ছে। অবৈধ মজুতের দায়ে সার জব্দসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। জেলায় সারের কোনো সংকট নেই।’ অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দাম রোধে স্থানীয় কৃষি বিভাগ এবং উপজেলা প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৪০ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪৩ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে