লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে একটি মার্কেটের তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে মো. সিরাজ উদ্দিন (১৯) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মোবারক হোসেন নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সিরাজ তাঁর বন্ধুসহ চারজনে মিলে ছাদে বসে গাঁজা সেবন ও আড্ডা দিচ্ছিলেন। তবে এটি দুর্ঘটনা না কি হত্যাকাণ্ড, পুলিশ তা খতিয়ে দেখেছে।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে শহরের উত্তর তেমুহানী এলাকার একটি মার্কেটের ছাদ থেকে পড়ে যান সিরাজ উদ্দিন। তাঁকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। রাতে অবস্থার অবনতি হলে সিরাজকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।
সিরাজ উদ্দিন পৌর শহরের লিল্লাহ মসজিদসংলগ্ন নাছির উদ্দিনের বাড়ির ট্রাকচালক ফারুকের ছেলে। তিনি দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, সিরাজ নিউ মার্কেটের ছাদে বসে মোবারক, আল আমিন ও ফারুক নামের তিনজন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁরা গাঁজা সেবন করেন। একপর্যায়ে ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন সিরাজ। এ ঘটনার পর তাঁর বন্ধু এবং স্বজনেরা মোবারককে ধরে মারধর করে নিউ মার্কেটে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আটক মোবারক রায়পুর উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিরাজসহ চারজন মার্কেটের ছাদে বসে আড্ডা দেন এবং গাঁজা সেবন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আড্ডার একপর্যায়ে তিনি ছাদ থেকে নিচে পড়ে মারা যান। সিরাজের সঙ্গে থাকা মোবারক নামের এক যুবককে মারধর করে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

লক্ষ্মীপুরে একটি মার্কেটের তিনতলার ছাদ থেকে পড়ে মো. সিরাজ উদ্দিন (১৯) নামের এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মোবারক হোসেন নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সিরাজ তাঁর বন্ধুসহ চারজনে মিলে ছাদে বসে গাঁজা সেবন ও আড্ডা দিচ্ছিলেন। তবে এটি দুর্ঘটনা না কি হত্যাকাণ্ড, পুলিশ তা খতিয়ে দেখেছে।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে শহরের উত্তর তেমুহানী এলাকার একটি মার্কেটের ছাদ থেকে পড়ে যান সিরাজ উদ্দিন। তাঁকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। রাতে অবস্থার অবনতি হলে সিরাজকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান।
সিরাজ উদ্দিন পৌর শহরের লিল্লাহ মসজিদসংলগ্ন নাছির উদ্দিনের বাড়ির ট্রাকচালক ফারুকের ছেলে। তিনি দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, সিরাজ নিউ মার্কেটের ছাদে বসে মোবারক, আল আমিন ও ফারুক নামের তিনজন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় তাঁরা গাঁজা সেবন করেন। একপর্যায়ে ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন সিরাজ। এ ঘটনার পর তাঁর বন্ধু এবং স্বজনেরা মোবারককে ধরে মারধর করে নিউ মার্কেটে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। আটক মোবারক রায়পুর উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিরাজসহ চারজন মার্কেটের ছাদে বসে আড্ডা দেন এবং গাঁজা সেবন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আড্ডার একপর্যায়ে তিনি ছাদ থেকে নিচে পড়ে মারা যান। সিরাজের সঙ্গে থাকা মোবারক নামের এক যুবককে মারধর করে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে আটক করে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে