লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত ৩৩ জন সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। অন্যরা প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন। আজ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন।
স্থানীয়রা জানায়, লক্ষ্মীপুর শহরসহ জেলার ৫টি উপজেলায় কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলছে। গত কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে কুকুরের কামড়ে অনেকেই আক্রান্ত হন। শুধুমাত্র আজ শনিবারে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে। এসব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করেন স্থানীয়রা।
আহত রোগীদের মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন মো. মুয়াজ হোসেন (১৬), আবির হোসেন (আড়াই বছর), আব্দুর রহিম (৫৫), রহিমা খাতুন (৩০), রিনা আক্তার (২৯), শামছুন নাহার (৪৫), মিতু (২৩), ফরহাদ হোসেন (৮), হোসনেয়ারা বেগম (৩৫), রিহান মাহমুদ (৬) ও সাব্বির আহমেদসহ অনেকে।
সদর উপজেলার চররুহিতার বাসিন্দা আক্রান্ত হোসনেয়ারা বেগম বলেন, ‘মোবাইল ফোনে বিদেশে স্বামীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। হঠাৎ করে একটি কুকুর এসে আমার গালে কামড় দেয়।’
ভ্যাকসিন প্রদানকারী সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স আব্দুর রব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল থেকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি। অনেক রোগী এসেছে। এখনো হিসেব করতে পারিনি।’
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অনেকে। বেশিরভাগ আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পিঠ ও গালসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে কুকুর বিড়ালের কামড়ের দাগ রয়েছে।’
এর আগেও প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্থান থেকে একাধিক মানুষ কুকুরে কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতাল চিকিৎসা নেন। আবার অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুরে কুকুরের কামড়ে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত ৩৩ জন সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। অন্যরা প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন। আজ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন।
স্থানীয়রা জানায়, লক্ষ্মীপুর শহরসহ জেলার ৫টি উপজেলায় কুকুরের উপদ্রব বেড়েই চলছে। গত কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে কুকুরের কামড়ে অনেকেই আক্রান্ত হন। শুধুমাত্র আজ শনিবারে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে। এসব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করেন স্থানীয়রা।
আহত রোগীদের মধ্যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন মো. মুয়াজ হোসেন (১৬), আবির হোসেন (আড়াই বছর), আব্দুর রহিম (৫৫), রহিমা খাতুন (৩০), রিনা আক্তার (২৯), শামছুন নাহার (৪৫), মিতু (২৩), ফরহাদ হোসেন (৮), হোসনেয়ারা বেগম (৩৫), রিহান মাহমুদ (৬) ও সাব্বির আহমেদসহ অনেকে।
সদর উপজেলার চররুহিতার বাসিন্দা আক্রান্ত হোসনেয়ারা বেগম বলেন, ‘মোবাইল ফোনে বিদেশে স্বামীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। হঠাৎ করে একটি কুকুর এসে আমার গালে কামড় দেয়।’
ভ্যাকসিন প্রদানকারী সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স আব্দুর রব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল থেকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি। অনেক রোগী এসেছে। এখনো হিসেব করতে পারিনি।’
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অনেকে। বেশিরভাগ আক্রান্ত ব্যক্তির হাত-পিঠ ও গালসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে কুকুর বিড়ালের কামড়ের দাগ রয়েছে।’
এর আগেও প্রতিদিনই কোনো না কোনো স্থান থেকে একাধিক মানুষ কুকুরে কামড়ে আক্রান্ত হয়ে সদর হাসপাতাল চিকিৎসা নেন। আবার অনেকেই চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে