রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ২২ আগস্ট থেকে সারা দেশে কর্মসূচি পালন শুরু করেছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জনসমাবেশের ডাক দেয় দলটি। উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই সমাবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে একই স্থানে একই সময়ে শোকসভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। মাসব্যাপী কেন্দ্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সভা করা হবে বলে গতকাল সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান।
এ নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের জনসমাবেশের কর্মসূচি পূর্বনির্ধারিত। সে অনুযায়ী আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আমরা আমাদের সমাবেশ সম্পন্ন করব। এরই মধ্যে সমাবেশের বিষয়টি লিখিতভাবে জেলা পুলিশ সুপার ও রায়পুর থানার ওসিকে অবহিত করা হয়েছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে বাধার সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের হঠকারী কর্মসূচি দিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে চায়।’
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডে আমাদের নির্ধারিত শোকসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। শান্তিপূর্ণ রায়পুরে বিএনপিকে কোনো অশান্তি করতে দেওয়া হবে না। বিএনপি সেখানে জনসভার নামে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’
এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সমাবেশ ও শোকসভা করার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলের পক্ষ থেকে আমাদের লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সমাবেশ করতে দেওয়া-না দেওয়া কোনোটিই এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যেকোনো সংঘাতময় পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ২২ আগস্ট থেকে সারা দেশে কর্মসূচি পালন শুরু করেছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে আগামীকাল বুধবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জনসমাবেশের ডাক দেয় দলটি। উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই সমাবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে একই স্থানে একই সময়ে শোকসভা ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। মাসব্যাপী কেন্দ্রীয় শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সভা করা হবে বলে গতকাল সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হায়দার বাবুল পাঠান।
এ নিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের জনসমাবেশের কর্মসূচি পূর্বনির্ধারিত। সে অনুযায়ী আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। যেকোনো মূল্যে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আমরা আমাদের সমাবেশ সম্পন্ন করব। এরই মধ্যে সমাবেশের বিষয়টি লিখিতভাবে জেলা পুলিশ সুপার ও রায়পুর থানার ওসিকে অবহিত করা হয়েছে। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে বাধার সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ এ ধরনের হঠকারী কর্মসূচি দিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে চায়।’
এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডে আমাদের নির্ধারিত শোকসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। শান্তিপূর্ণ রায়পুরে বিএনপিকে কোনো অশান্তি করতে দেওয়া হবে না। বিএনপি সেখানে জনসভার নামে অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।’
এ বিষয়ে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিপন বড়ুয়া বলেন, বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সমাবেশ ও শোকসভা করার জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলের পক্ষ থেকে আমাদের লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। সমাবেশ করতে দেওয়া-না দেওয়া কোনোটিই এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যেকোনো সংঘাতময় পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে