লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাদ্রাসাছাত্রী রোজিনা আক্তারকে হত্যার দায়ে চারজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ড পাওয়া প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম এই রায় দেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন।
দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আনোয়ার হোসেন কৈয়লা, আঁখি আক্তার রুমা, হুমায়ুন কবির ও মো. বাহার উদ্দিন। এর মধ্যে আনোয়ার ও আঁখি আক্তার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুজন পলাতক।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর জেলার রায়পুর পৌরসভার পশ্চিম কেরোয়া এলাকার মাদ্রাসা (হজরত খাদিজাতুল কোবরা নুরানী মাদ্রাসা) ছাত্রী ও মৃত সফিক মিয়ার মেয়ে রোজিনা পরীক্ষা শেষে ওই দিন বিকেলে বাসায় ফিরছিল। এ সময় পুরোনো পৌরসভা কার্যালয় ভবনের সামনের সড়কে রোজিনার প্রেমিক আনোয়ারের সহযোগী আঁখি অপেক্ষা করছিল। আনোয়ারের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকার নিয়ে আঁখি রোজিনাকে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী বাগানের দিকে নিয়ে যায়। সেখানে আনোয়ারসহ আরও তিন সহযোগী ছিল। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় আনোয়ার। রোজিনা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তারা রোজিনাকে গাছের সঙ্গে গলার ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তাঁর মরদেহ বাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। পরদিন দুপুরে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরিবারের লোকজন এসে মরদেহটি শনাক্ত করে। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৮ জুন চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।
রায়ের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন বলেন, ‘তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রোজিনা হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদী সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মাদ্রাসাছাত্রী রোজিনা আক্তারকে হত্যার দায়ে চারজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ড পাওয়া প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলাম এই রায় দেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন।
দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন আনোয়ার হোসেন কৈয়লা, আঁখি আক্তার রুমা, হুমায়ুন কবির ও মো. বাহার উদ্দিন। এর মধ্যে আনোয়ার ও আঁখি আক্তার আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুজন পলাতক।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১১ ডিসেম্বর জেলার রায়পুর পৌরসভার পশ্চিম কেরোয়া এলাকার মাদ্রাসা (হজরত খাদিজাতুল কোবরা নুরানী মাদ্রাসা) ছাত্রী ও মৃত সফিক মিয়ার মেয়ে রোজিনা পরীক্ষা শেষে ওই দিন বিকেলে বাসায় ফিরছিল। এ সময় পুরোনো পৌরসভা কার্যালয় ভবনের সামনের সড়কে রোজিনার প্রেমিক আনোয়ারের সহযোগী আঁখি অপেক্ষা করছিল। আনোয়ারের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকার নিয়ে আঁখি রোজিনাকে ফুসলিয়ে পার্শ্ববর্তী বাগানের দিকে নিয়ে যায়। সেখানে আনোয়ারসহ আরও তিন সহযোগী ছিল। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয় আনোয়ার। রোজিনা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে তারা রোজিনাকে গাছের সঙ্গে গলার ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তাঁর মরদেহ বাগানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। পরদিন দুপুরে স্থানীয় লোকজন মরদেহটি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরিবারের লোকজন এসে মরদেহটি শনাক্ত করে। এ ঘটনায় ছাত্রীর মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ২৮ জুন চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।
রায়ের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দিন বলেন, ‘তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রোজিনা হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও বাদী সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৩ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে