লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নের হায়দরগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
পরে তাঁদের উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বাসেত হাওলাদার ও যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সরদার সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় একে অপরকে দায়ী করছেন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আব্দুল আজিজ লিটন হাওলাদার (৫২), মো. হেলাল (৪২), মো. কাউছার (২৬), মুর্তজা মাহি (২১), জয়নাল (৪২) ও ইসারুল্লা (২৩) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে জানা গেছে।
দুদিন আগে রাতে বাসেত হাওলাদার পক্ষের লোকজন হায়দারগঞ্জ বাজারে মিছিল বের করে। তারা বাসেত হাওলাদারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে কটূক্তি করার জন্য হুঁশিয়ার করে মিজান সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এর জেরে শুক্রবার রাতে মিজান সমর্থকেরা ঘটনার সময়ে তাদের নেতার বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ এনে মিছিল করে।
ওই মিছিল থেকে মিজান সমর্থকেরা হাওলাদার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় বাসেত হাওলাদারের ছেলে আব্দুল আজিজ লিটন হাওলাদার ও নাতি মো. কাউছারসহ ১২ জন আহত হন। এ নিয়ে উভয় পক্ষে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রায়পুর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব নাজমুল ইসলাম মিঠু বলেন, এটি বিএনপির দলীয় বিরোধে ঘটেনি। ওখানে হাওলাদার ও সরদার পরিবারের দীর্ঘদিনের রেষারেষিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। তারা দলীয় পদ-পদবিতে থাকায় এটিকে বিএনপির সংঘর্ষ বলে প্রচার করা হচ্ছে। এটি সঠিক নয়। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তিনজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নের হায়দরগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
পরে তাঁদের উদ্ধার করে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বাসেত হাওলাদার ও যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সরদার সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় একে অপরকে দায়ী করছেন।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে আব্দুল আজিজ লিটন হাওলাদার (৫২), মো. হেলাল (৪২), মো. কাউছার (২৬), মুর্তজা মাহি (২১), জয়নাল (৪২) ও ইসারুল্লা (২৩) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অন্যরা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে জানা গেছে।
দুদিন আগে রাতে বাসেত হাওলাদার পক্ষের লোকজন হায়দারগঞ্জ বাজারে মিছিল বের করে। তারা বাসেত হাওলাদারের বিরুদ্ধে ফেসবুকে কটূক্তি করার জন্য হুঁশিয়ার করে মিজান সমর্থকদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। এর জেরে শুক্রবার রাতে মিজান সমর্থকেরা ঘটনার সময়ে তাদের নেতার বিরুদ্ধে কটূক্তির অভিযোগ এনে মিছিল করে।
ওই মিছিল থেকে মিজান সমর্থকেরা হাওলাদার সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় বাসেত হাওলাদারের ছেলে আব্দুল আজিজ লিটন হাওলাদার ও নাতি মো. কাউছারসহ ১২ জন আহত হন। এ নিয়ে উভয় পক্ষে উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রায়পুর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব নাজমুল ইসলাম মিঠু বলেন, এটি বিএনপির দলীয় বিরোধে ঘটেনি। ওখানে হাওলাদার ও সরদার পরিবারের দীর্ঘদিনের রেষারেষিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। তারা দলীয় পদ-পদবিতে থাকায় এটিকে বিএনপির সংঘর্ষ বলে প্রচার করা হচ্ছে। এটি সঠিক নয়। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তিনজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৪ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে