কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

নতুন ট্রিপ নিয়ে বিরোধের জেরে শ্রমিকদের ওপর হামলা ও মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কুষ্টিয়া থেকে খুলনা এবং ফরিদপুর রুটে চলমান বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত হয়।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে কুষ্টিয়ার বাস মালিক শ্রমিকদের পাঁচটি সংগঠন নিয়ে গঠিত মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এবং ঝিনাইদহ বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলোচনা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা শেষে এই ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) খাইরুল আলমসহ দুই জেলার বাসমালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের ১৪ জন করে নেতা-কর্মী অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের অনুরোধে রমজান এবং ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে গত তিন দিনব্যাপী চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন কুষ্টিয়ার বাসমালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
বাসের অতিরিক্ত ট্রিপ চাওয়াকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ বাসমালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে কুষ্টিয়ার মালিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে কুষ্টিয়ার বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা-মারধরের ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে গত শুক্রবার সকাল থেকে কুষ্টিয়া থেকে খুলনা এবং ফরিদপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় কুষ্টিয়ার মালিক এবং শ্রমিকদের পাঁচটি সংগঠন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাস ধর্মঘটের বিষয়ে কুষ্টিয়া মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদকে নিয়ে আমাদের বৈঠক হয়। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলোচনা শেষে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়। যেসব বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল, সেগুলো পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।’

নতুন ট্রিপ নিয়ে বিরোধের জেরে শ্রমিকদের ওপর হামলা ও মারধরের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কুষ্টিয়া থেকে খুলনা এবং ফরিদপুর রুটে চলমান বাস ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত হয়।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে কুষ্টিয়ার বাস মালিক শ্রমিকদের পাঁচটি সংগঠন নিয়ে গঠিত মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ এবং ঝিনাইদহ বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে আলোচনা হয়। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা শেষে এই ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক (ডিসি) সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) খাইরুল আলমসহ দুই জেলার বাসমালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের ১৪ জন করে নেতা-কর্মী অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের অনুরোধে রমজান এবং ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবে গত তিন দিনব্যাপী চলমান ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন কুষ্টিয়ার বাসমালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
বাসের অতিরিক্ত ট্রিপ চাওয়াকে কেন্দ্র করে ঝিনাইদহ বাসমালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে কুষ্টিয়ার মালিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে কুষ্টিয়ার বাস শ্রমিকদের ওপর হামলা-মারধরের ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে গত শুক্রবার সকাল থেকে কুষ্টিয়া থেকে খুলনা এবং ফরিদপুর রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয় কুষ্টিয়ার মালিক এবং শ্রমিকদের পাঁচটি সংগঠন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক সাইদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাস ধর্মঘটের বিষয়ে কুষ্টিয়া মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদকে নিয়ে আমাদের বৈঠক হয়। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আলোচনা শেষে বাস ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়। যেসব বিষয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল, সেগুলো পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে