
কুষ্টিয়ার মিরপুরে এক নির্মাণশ্রমিকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।
নিহত ব্যক্তির নাম মঈন উদ্দীন (৩০)। তিনি উপজেলার ধলশা গ্রামের মৃত মাজেদ প্রামাণিকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে পানি শুকিয়ে যাওয়া একটি পুকুরের ভেতরে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে দেখেন মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। দ্রুত তারা মিরপুর থানার পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর ছড়িয়ে পড়লে মানুষ সেখানে ভিড় করে।
পরিবার সূত্র জানিয়েছে, মঈন উদ্দীন সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। সকালে জানতে পারে তাঁর মরদেহ পড়ে আছে মাঠে। কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে ধারণা করতে পারছে না।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের গোয়েন্দা শাখাও কাজ করছে। মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘পল্লবীতে শিশু হত্যার বিচারকার্যে আদালতের কাছে আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হবে। আমাদের কাছে যে তথ্য-প্রমাণ আছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত হবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা।’ আজ রোববার (৩১ মে) সকালে শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়া
৯ মিনিট আগে
‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস’—এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসেমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ রোববার সকালে তাঁকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারে দোকানের উদ্দেশে রওনা হন তাঁর বাবা। তবে দুপুরের দিকে দোকানটি বন্ধ দেখেন ছানাউল্লাহ। পাশের দোকানদার জানান, তাঁর বাবা অসুস্থতার কথা বলে বাড়ি চলে গেছেন। তবে বাড়িতে নুরুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনায় বাস ও ব্যাটারিচালিত রিকশার সংঘর্ষে মা ও দুই মেয়ে নিহত হয়েছেন। এতে অটোরিকশার চালকসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে