কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে তাঁর দিকে তেড়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা বিএনপির অভিযুক্ত নেতা মাসুদ রানাসহ চার অভিভাবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গতকাল সোমবার ভুক্তভোগী শিক্ষক আব্দুল হাই সিদ্দিকী বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। আজ মঙ্গলবার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত মাসুদ রানা কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির সহ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—পৌর এলাকার পুরোনো পশু হাসপাতাল মোড়ের ব্যবসায়ী শামসুল হকের ছেলে রুমন মিয়া, মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম ও কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা আলতাফুর রহমান বিদ্যুৎসহ অজ্ঞাত আরও সাত-আটজন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে, দলবদ্ধ হয়ে সরকারি কাজে বাধাদানসহ সরকারি কর্মচারীকে আঘাত ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ওসি খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার দুপুরে সন্তানের ভর্তিসংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন দিতে গিয়ে কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে স্কুলের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আব্দুল হাইয়ের ওপর চড়াও হন বিএনপি নেতা ও ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসুদ রানা। শিক্ষকের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ওই দিন বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষক এ বিষয়ে আইনি নিরাপত্তা চেয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ভুক্তভুগী শিক্ষকের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁর দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। তাঁর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে শিক্ষক আব্দুল হাই নিজেকে রক্ষার জন্য সরে যাচ্ছেন। পরে উপস্থিত অন্য শিক্ষক ও অভিভাবকেরা বিএনপি নেতা মাসুদ রানাকে থামান।
তবে এর আগে প্রধান আসামি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে শিক্ষককে ধাক্কা ও কিল-ঘুষি দেওয়ার অভিযোগ আনা হলেও তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে তাঁর দিকে তেড়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা বিএনপির অভিযুক্ত নেতা মাসুদ রানাসহ চার অভিভাবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গতকাল সোমবার ভুক্তভোগী শিক্ষক আব্দুল হাই সিদ্দিকী বাদী হয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। আজ মঙ্গলবার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্ত মাসুদ রানা কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির সহ-ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক। মামলায় অন্য আসামিরা হলেন—পৌর এলাকার পুরোনো পশু হাসপাতাল মোড়ের ব্যবসায়ী শামসুল হকের ছেলে রুমন মিয়া, মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম ও কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা আলতাফুর রহমান বিদ্যুৎসহ অজ্ঞাত আরও সাত-আটজন।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে, দলবদ্ধ হয়ে সরকারি কাজে বাধাদানসহ সরকারি কর্মচারীকে আঘাত ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ওসি খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার দুপুরে সন্তানের ভর্তিসংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন দিতে গিয়ে কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অফিসকক্ষে স্কুলের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আব্দুল হাইয়ের ওপর চড়াও হন বিএনপি নেতা ও ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসুদ রানা। শিক্ষকের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে ওই দিন বিকেলে ভুক্তভোগী শিক্ষক এ বিষয়ে আইনি নিরাপত্তা চেয়ে কুড়িগ্রাম সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা ভুক্তভুগী শিক্ষকের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তাঁর দিকে তেড়ে যাচ্ছেন। তাঁর এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে শিক্ষক আব্দুল হাই নিজেকে রক্ষার জন্য সরে যাচ্ছেন। পরে উপস্থিত অন্য শিক্ষক ও অভিভাবকেরা বিএনপি নেতা মাসুদ রানাকে থামান।
তবে এর আগে প্রধান আসামি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে শিক্ষককে ধাক্কা ও কিল-ঘুষি দেওয়ার অভিযোগ আনা হলেও তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে