রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। গত এক সপ্তাহে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন বিভিন্ন বয়সের ৬৬ জন রোগী। চিকিৎসকেরা বলছেন, আবহাওয়া পরিবর্তন, রোটা ভাইরাস ও ফুড পয়জনিং জনিত কারণে এ রোগ দিয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে জানা যায়, গত (৭ এপ্রিল-১৩ এপ্রিল) এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন শিশু ও বৃদ্ধ। এদের মধ্যে কেউ চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। এ ছাড়া বর্হি বিভাগে আরও প্রায় দুই হাজার ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
তবে রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, তারা সু-চিকিৎসা পাচ্ছেন না। হাসপাতালে ভর্তি রোগীকে দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র স্যালাইন, মিলছে না অন্য কোনো ওষুধ। কিনে আনতে হচ্ছে বাইরের দোকান থেকে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীর অভিভাবকেরা।
রাজীবপুরের কোদালকাটি ইউনিয়নের চরসাজাই এলাকার মারুফা খাতুন। তাঁর আট মাস বয়সের ছেলে যোবায়ের হোসেনকে নিয়ে চার দিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধুমাত্র কলেরার স্যালাইন দিয়েছে। এ ছাড়া কেনোলা, লাইন সেট ও টেপসহ অন্য সব ওষুধ বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।’ তাঁর ভাষ্য, ‘সরকারি হাসপাতালে যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে গরিবেরা যাবে কোথায়’।
উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের উজান ঝগড়ারচর গ্রামের রফিকুল ইসলাম। তাঁর ১৬ মাস বয়সের ছেলে হোসাইনকে গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। এখান থেকে শুধু একটি স্যালাইন পেয়েছেন। অন্য সব ওষুধ বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হয়েছে তাঁকে।
রৌমারী সদর ইউনিয়নের নতুনবন্দর এলাকার মাহমুদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বুধবার বিকেলে হঠাৎ ডায়রিয়া শুরু হয় তাঁর দুই বছর বয়সের শিশু সন্তান তোফা খাতুনের। আজ সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় তাঁর শিশু সন্তানকে শুধুমাত্র স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলার ডাটিয়ারচর এলাকার গোলজার হোসেনের দুই বছরের শিশু সন্তান সালমাকে ডায়রিয়া আক্রান্ত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখানে স্যালাইন ছাড়া অন্য কিছু মিলে না।’
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আবহাওয়া পরিবর্তন, রোটা ভাইরাস ও ফুড পয়জনিং জনিত কারণে ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এক সপ্তাহে ৬৬ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে বেশি ভাগই শিশু।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া বর্হি বিভাগে আরও প্রায় দুই হাজার ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। এ সময় সবাইকে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, বেশি বেশি তরল খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া আক্রান্তকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।’

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে হঠাৎ করে বেড়ে গেছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। গত এক সপ্তাহে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন বিভিন্ন বয়সের ৬৬ জন রোগী। চিকিৎসকেরা বলছেন, আবহাওয়া পরিবর্তন, রোটা ভাইরাস ও ফুড পয়জনিং জনিত কারণে এ রোগ দিয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘুরে জানা যায়, গত (৭ এপ্রিল-১৩ এপ্রিল) এক সপ্তাহে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন শিশু ও বৃদ্ধ। এদের মধ্যে কেউ চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। এ ছাড়া বর্হি বিভাগে আরও প্রায় দুই হাজার ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
তবে রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, তারা সু-চিকিৎসা পাচ্ছেন না। হাসপাতালে ভর্তি রোগীকে দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র স্যালাইন, মিলছে না অন্য কোনো ওষুধ। কিনে আনতে হচ্ছে বাইরের দোকান থেকে। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীর অভিভাবকেরা।
রাজীবপুরের কোদালকাটি ইউনিয়নের চরসাজাই এলাকার মারুফা খাতুন। তাঁর আট মাস বয়সের ছেলে যোবায়ের হোসেনকে নিয়ে চার দিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধুমাত্র কলেরার স্যালাইন দিয়েছে। এ ছাড়া কেনোলা, লাইন সেট ও টেপসহ অন্য সব ওষুধ বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হচ্ছে।’ তাঁর ভাষ্য, ‘সরকারি হাসপাতালে যদি এমন অবস্থা হয়, তাহলে গরিবেরা যাবে কোথায়’।
উপজেলার দাঁতভাঙা ইউনিয়নের উজান ঝগড়ারচর গ্রামের রফিকুল ইসলাম। তাঁর ১৬ মাস বয়সের ছেলে হোসাইনকে গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। এখান থেকে শুধু একটি স্যালাইন পেয়েছেন। অন্য সব ওষুধ বাইরের দোকান থেকে কিনে আনতে হয়েছে তাঁকে।
রৌমারী সদর ইউনিয়নের নতুনবন্দর এলাকার মাহমুদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বুধবার বিকেলে হঠাৎ ডায়রিয়া শুরু হয় তাঁর দুই বছর বয়সের শিশু সন্তান তোফা খাতুনের। আজ সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ সময় তাঁর শিশু সন্তানকে শুধুমাত্র স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।’
উপজেলার ডাটিয়ারচর এলাকার গোলজার হোসেনের দুই বছরের শিশু সন্তান সালমাকে ডায়রিয়া আক্রান্ত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখানে স্যালাইন ছাড়া অন্য কিছু মিলে না।’
রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আবহাওয়া পরিবর্তন, রোটা ভাইরাস ও ফুড পয়জনিং জনিত কারণে ডায়রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এক সপ্তাহে ৬৬ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। এদের মধ্যে বেশি ভাগই শিশু।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া বর্হি বিভাগে আরও প্রায় দুই হাজার ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। এ সময় সবাইকে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে, বেশি বেশি তরল খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া আক্রান্তকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে