কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ীতে টগরাইহাট বাজার এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় সফিকুল নামে এক ট্রাক্টরচালক নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে রমনা লোকাল ট্রেনটি কুড়িগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়।
নিহত ট্রাক্টরচালক সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর মাধবপুর এলাকার সবুজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
কুড়িগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. শামছুজ্জোহা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকায় রেললাইনের পাশে গড়ে ওঠা ইটভাটায় ইট পরিবহনের জন্য অবৈধ রেলক্রসিং তৈরি করা হয়। শনিবার রাতে ক্রসিং দিয়ে ট্রাক্টরটি রেললাইন পার হচ্ছিল। ওই সময় কাউনিয়া থেকে কুড়িগ্রামমুখী রমনা লোকাল ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন ট্রাক্টরচালক সফিকুল।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সফিকুল। দুর্ঘটনায় ট্রেনের ইঞ্জিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সফিকুলকে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। আজ তাঁকে নিজ গ্রামে দাফন করা হয়।
স্টেশন মাস্টার মো. শামছুজ্জোহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টগরাইহাটের ওই স্থানের রেলক্রসিংটা অবৈধ। সেখানে আমাদের কোনো গেটম্যান নেই। দুর্ঘটনার কারণে কিছুটা বিলম্বে ট্রেনটি ছেড়ে গেছে।’
লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি। তবে এ ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ কোনো অভিযোগ না দেওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

কুড়িগ্রাম সদরের কাঁঠালবাড়ীতে টগরাইহাট বাজার এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় সফিকুল নামে এক ট্রাক্টরচালক নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ কারণে প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে রমনা লোকাল ট্রেনটি কুড়িগ্রাম স্টেশনে পৌঁছায়।
নিহত ট্রাক্টরচালক সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর মাধবপুর এলাকার সবুজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
কুড়িগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার মো. শামছুজ্জোহা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকায় রেললাইনের পাশে গড়ে ওঠা ইটভাটায় ইট পরিবহনের জন্য অবৈধ রেলক্রসিং তৈরি করা হয়। শনিবার রাতে ক্রসিং দিয়ে ট্রাক্টরটি রেললাইন পার হচ্ছিল। ওই সময় কাউনিয়া থেকে কুড়িগ্রামমুখী রমনা লোকাল ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন ট্রাক্টরচালক সফিকুল।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সফিকুল। দুর্ঘটনায় ট্রেনের ইঞ্জিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত সফিকুলকে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। আজ তাঁকে নিজ গ্রামে দাফন করা হয়।
স্টেশন মাস্টার মো. শামছুজ্জোহা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টগরাইহাটের ওই স্থানের রেলক্রসিংটা অবৈধ। সেখানে আমাদের কোনো গেটম্যান নেই। দুর্ঘটনার কারণে কিছুটা বিলম্বে ট্রেনটি ছেড়ে গেছে।’
লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফেরদৌস আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়েছি। তবে এ ঘটনায় রেল কর্তৃপক্ষ কোনো অভিযোগ না দেওয়ায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে