কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের সদর উপজেলায় গাছের ডাল কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বে বড় আবুল কালাম আজাদের (৭৫) মৃত্যুর খবরে তাঁর বোন ছকিনা খাতুনের (৭২) মৃত্যুর ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার রাতে কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের রায়পুর গ্রাম থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।
আটক ব্যক্তিরা হলেন অভিযুক্ত কাঠ ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনের ভাই ইকবাল, নুর জামাল ও নুর বকশ, ইকবালের স্ত্রী আলেয়া খাতুন, দুই ছেলে মিজানুর ও আশরাফুল। এঁরা সবাই অভিযুক্ত জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলালের সঙ্গে নিহত আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে হামলায় অংশ নিয়েছিলেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। তবে মূল অভিযুক্ত দুলাল হোসেন ও তাঁর ছেলে জুবায়ের এখনো পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে আবুল কালাম আজাদের ছেলে ও ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ আনিছুর তাঁর প্রতিবেশী আবুল কাশেমের একটি আমগাছের ডাল কাটেন। কিন্তু গাছটি নিজেদের দাবি করে এ নিয়ে জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলাল হোসেন আনিছুরদের সঙ্গে বিবাদে জড়ান। স্থানীয়রা এ নিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরবর্তী সময়ে বসে মীমাংসার কথা জানান।
কিন্তু বুধবার রাত ৯টার দিকে জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলাল হোসেন দলবল নিয়ে আনিছুরদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে আবারও বিবাদে জড়ান। এ সময় জুবায়ের আবুল কালাম আজাদের বুকে ঘুষি মারলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আবুল কালামের মৃত্যুর খবর শুনে তাঁর ছোট বোন ছকিনা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর জুবায়ের ও তার বাবা দুলাল হোসেন দলবল নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলাল হোসেন পালিয়ে গেলেও তাঁদের সঙ্গে হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ছয়জনকে আটক করে থানায় নেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে বৃহস্পতিবার সকালে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় কয়েকজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আর ছকিনার মরদেহ পারিবারিকভাবে দাফনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দাফন শেষে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হবে।

কুড়িগ্রামের সদর উপজেলায় গাছের ডাল কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বে বড় আবুল কালাম আজাদের (৭৫) মৃত্যুর খবরে তাঁর বোন ছকিনা খাতুনের (৭২) মৃত্যুর ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে কুড়িগ্রাম সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার রাতে কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের রায়পুর গ্রাম থেকে তাঁদের আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।
আটক ব্যক্তিরা হলেন অভিযুক্ত কাঠ ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনের ভাই ইকবাল, নুর জামাল ও নুর বকশ, ইকবালের স্ত্রী আলেয়া খাতুন, দুই ছেলে মিজানুর ও আশরাফুল। এঁরা সবাই অভিযুক্ত জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলালের সঙ্গে নিহত আবুল কালাম আজাদের বাড়িতে হামলায় অংশ নিয়েছিলেন বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে। তবে মূল অভিযুক্ত দুলাল হোসেন ও তাঁর ছেলে জুবায়ের এখনো পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে আবুল কালাম আজাদের ছেলে ও ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ আনিছুর তাঁর প্রতিবেশী আবুল কাশেমের একটি আমগাছের ডাল কাটেন। কিন্তু গাছটি নিজেদের দাবি করে এ নিয়ে জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলাল হোসেন আনিছুরদের সঙ্গে বিবাদে জড়ান। স্থানীয়রা এ নিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করে পরবর্তী সময়ে বসে মীমাংসার কথা জানান।
কিন্তু বুধবার রাত ৯টার দিকে জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলাল হোসেন দলবল নিয়ে আনিছুরদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে আবারও বিবাদে জড়ান। এ সময় জুবায়ের আবুল কালাম আজাদের বুকে ঘুষি মারলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে আবুল কালামের মৃত্যুর খবর শুনে তাঁর ছোট বোন ছকিনা খাতুন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর জুবায়ের ও তার বাবা দুলাল হোসেন দলবল নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের পাশাপাশি ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর জুবায়ের ও তাঁর বাবা দুলাল হোসেন পালিয়ে গেলেও তাঁদের সঙ্গে হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ছয়জনকে আটক করে থানায় নেয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তবে বৃহস্পতিবার সকালে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
সদর থানার ওসি খান মো. শাহরিয়ার বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় কয়েকজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আবুল কালাম আজাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আর ছকিনার মরদেহ পারিবারিকভাবে দাফনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দাফন শেষে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হবে।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঘুষের টাকাসহ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের (অফিস) সহকারী শাহ আলমকে (৪৮) আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায়।
২ মিনিট আগে
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সৈয়দ মুন্সি বাড়ি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের এক প্রাক্তন ছাত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ওই মাদ্রাসায় আগুন ধরিয়ে দেয়।
৫ মিনিট আগে
সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর আন্দোলনের ডাকে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়, সাড়ে ১২টায় মিরপুর টেকনিক্যাল মোড় ও বেলা ১টার দিকে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
২৪ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম নগরের হামজারবাগ এলাকায় ৩৫টি সোনার বার ছিনতাইয়ের মামলায় মহানগর ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সাইফুল ইসলাম ওরফে বার্মা সাইফুলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৩৪টি মামলা রয়েছে।
৩০ মিনিট আগে