আদালতের আদেশ অমান্য করায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রমেক) পরিচালকের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারী ও আদালতে বিচারাধীন মামলার বাদীর চিকিৎসা সনদপত্র প্রদান করার নির্দেশ অমান্য করায় রমেক পরিচালকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন আদালত।
কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (উলিপুর আমলি আদালত) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মজনু মিয়া স্বাক্ষরিত তলব আদেশ গতকাল বুধবার রমেক পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে মারামারির ঘটনায় আহত হয়ে উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণি ইউনিয়নের সুবির জারারপাড় গ্রামের সফজল হোসেন রংপুর মেডিকেলের সার্জারি বিভাগে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় তিনি মামলা করেন। একপর্যায়ে মামলার অধিকতর তদন্তভার পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দেওয়া হয়। সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) বাদীর চিকিৎসা সনদপত্র চেয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ পরিচালক বরাবর একাধিকবার যোগাযোগ করেও প্রতিবেদন পাননি। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
আইওয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ আগস্ট রমেক পরিচালককে আদেশ প্রাপ্তির ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে ওই চিকিৎসা সনদপত্র সরবরাহের আদেশ দেন আদালত। কিন্তু পরিচালক গত আড়াই মাসেও সেই সনদপত্র সরবরাহ করেননি। এতে উষ্মা প্রকাশ করেন আদালত।
ব্যাখ্যা তলবের আদেশে আদালত বলেছেন, আদেশ অমান্য করে সে অনুযায়ী ভুক্তভোগীর চিকিৎসা সনদপত্র কিংবা ওই বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন দাখিল করা হয়নি। এতে মামলাটির তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম বিলম্বিত হচ্ছে। এই অবস্থায় আদালতের আদেশ অমান্য করায় কেন আপনার (রামেক পরিচালক) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে না সে বিষয়ে আগামী ১৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখের মধ্য লিখিত ব্যাখ্যাসহ ভুক্তভোগীর সনদপত্র আদালতে অথবা তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলো।
কুড়িগ্রাম সিআইডির উপপরিদর্শক ও মামলার আইও ছকিদুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসা সনদপত্র পেতে রমেক হাসপাতালে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। বারবার আবেদন করেও সনদপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। আদালতের আদেশ যথাসময়ে পৌঁছে দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। এতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বিলম্ব হচ্ছে। পরে বিষয়টি আবারও আদালতকে অবহিত করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আবারও আদেশ দিয়েছেন।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে