কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম শহরের খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে গোপনে বিগত বছরের উদ্বৃত্ত সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ তদন্তে কমিটি করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তবে কমিটির সকলকে অভিযোগ তদন্ত করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান।
তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা।
কমিটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি। প্রতিষ্ঠানের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের নোটিশ করা হয়েছে। আগামী সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া হবে।’
মিজানুর রহমান আরও বলেন, ‘বিক্রীত যেসব বই আবারও প্রতিষ্ঠানে ফেরত আনা হয়েছে, কমিটি সেগুলো দেখে জব্দ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ রিতা রাণী দেব ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম সরদারের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি বরাদ্দকৃত বিগত বছরের উদ্বৃত্ত বই বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে এ ঘটনা ঘটলেও তা সম্প্রতি প্রকাশ পায়। পরে কিছু বই কাগজ ব্যবসায়ীদের দোকান থেকে উদ্ধারও করা হয় বলে জানা গেছে। বিধি বহির্ভূতভাবে সরকারি বই বিক্রির ঘটনা জানাজানি হলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমে এ ঘটনা প্রকাশ হলে তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন।

কুড়িগ্রাম শহরের খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে গোপনে বিগত বছরের উদ্বৃত্ত সরকারি বই বিক্রির অভিযোগ তদন্তে কমিটি করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
তবে কমিটির সকলকে অভিযোগ তদন্ত করে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান।
তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা।
কমিটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছি। প্রতিষ্ঠানের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ ও সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্টদের নোটিশ করা হয়েছে। আগামী সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া হবে।’
মিজানুর রহমান আরও বলেন, ‘বিক্রীত যেসব বই আবারও প্রতিষ্ঠানে ফেরত আনা হয়েছে, কমিটি সেগুলো দেখে জব্দ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের সদ্য সাবেক অধ্যক্ষ রিতা রাণী দেব ও সহকারী প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম সরদারের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি বরাদ্দকৃত বিগত বছরের উদ্বৃত্ত বই বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে এ ঘটনা ঘটলেও তা সম্প্রতি প্রকাশ পায়। পরে কিছু বই কাগজ ব্যবসায়ীদের দোকান থেকে উদ্ধারও করা হয় বলে জানা গেছে। বিধি বহির্ভূতভাবে সরকারি বই বিক্রির ঘটনা জানাজানি হলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমে এ ঘটনা প্রকাশ হলে তদন্ত কমিটি গঠন করে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে