
কুড়িগ্রামের উলিপুরে সুমন মিয়া (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে প্রথম বিয়ে গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গোপনে বিয়ে করা এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী (১৮) স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে ওই যুবকের বাড়িতে অনশনে বসেছেন। ঘটনার পর থেকে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত যুবক সটকে পড়েছেন।
আজ রোববার বিকেলে উলিপুর পৌরসভার মধ্যপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এদিকে অনশনের খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক শত শত নারী-পুরুষ সুমনের বাড়িতে ভিড় জমান।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার মধ্যপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের ছেলে সুমন মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেশী সামছুল হকের মেয়ে শান্তনা আক্তার সোমার (১৮) দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০২৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি উভয়ের সম্মতিতে ইসলামি শরিয়া মোতাবেক তাঁদের বিয়ে হয়। কিন্তু বিষয়টি গোপন রেখে সুমন ও সোমা উভয়েই নিজ নিজ বাড়িতে অবস্থান করে আসছিলেন।
সম্প্রতি সুমন পরিবারের সম্মতিতে অন্যত্র আবারও বিয়ে করেন। এর পর সোমা বিষয়টি জানতে পেরে সুমনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। এ ঘটনায় দিশেহারা হয়ে সোমা আজ রোববার বিকেলে সুমনের বাড়িতে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে অনশনে বসেন।
সরেজমিনে সুমনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির সামনে শত শত উৎসুক মানুষের ভিড়। সেখানে কথা হয় অনশনরত এইচএসসি পরীক্ষার্থী শান্তনা আক্তার সোমার সঙ্গে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘দীর্ঘ ১০ বছর থেকে সুমনের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক। পরে আমরা মাদ্রাসার হুজুরের উপস্থিতিতে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ করি। এর পর সুমন সরকারি চাকরি করবে—এই মর্মে ভয় দেখিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি না করে বিষয়টি গোপন রাখেন। কিন্তু সুমন আমার সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর মতোই সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিল।’
সোমা আরও জানান, গত ৪ জুন সুমন নতুন করে অন্যত্র বিয়ে করেন। বিষয়টি জানার পর যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সুমন টালবাহানা শুরু করেন। সোমা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বাধ্য হয়ে আজ স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে সুমনের বাড়িতে অনশনে বসেছি। সে যদি আমাকে মেনে না নেয়, তাহলে আমি আত্মহত্যা করব।’ সোমা জানান, তাঁর আসার কথা শোনার পর থেকেই সুমন আত্মগোপনে চলে গেছেন এবং সুমনের সঙ্গে তাঁর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের অনেক ছবি ও ভিডিও রয়েছে।
এলাকাবাসী ফয়জার রহমান, শিউলি আক্তার ও তারিফা বেগমসহ অনেকে জানান, সুমন ও সোমার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা সবাই জানেন। কিন্তু সুমন নতুন করে অন্য জায়গায় বিয়ে করায় তাঁরা আশ্চর্য হয়েছেন এবং এই ঘটনার একটি সুষ্ঠু সমাধান চান।
অন্যদিকে, বাড়িতে থাকা সুমনের মা শেফালি বেগম বলেন, ‘সোমাকে যদি আমার ছেলে বিয়ে করে থাকে, তাহলে বিষয়টি এত দিন কেন আমাদের জানানো হয়নি? আমরা দেখে-শুনে ছেলের বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে সোমাকে মেনে নেওয়া সম্ভব না।’
এ বিষয়ে আত্মগোপনে থাকা সুমনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিয়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘সোমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল, কিন্তু তা অনেক আগে তাঁর ইচ্ছায় শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে পরিবারের সম্মতিতে আমি বিয়ে করেছি। আমাকে ফাঁসানোর জন্য সে এই ঘটনা ঘটাচ্ছে।’ এ ছাড়া তাঁর সঙ্গে সোমার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের যে ছবি ও ভিডিওর কথা বলা হচ্ছে, তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি করা বলে দাবি করেন সুমন।
এ প্রসঙ্গে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, অনশনের বিষয়টি পুলিশের জানা নেই। এ বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সবাইকে গণতান্ত্রিক আচরণ ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চা করতে হবে। জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। কেউ যেন নিজের ইচ্ছেমতো সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
২৮ মিনিট আগে
বাড়ির পাশের একটি পুকুরে মাছ ধরার পর দুই ভাই শরীরের কাদা পরিষ্কার করার জন্য পানিতে নামে। এ সময় ছোট ভাই শামিম পানিতে তলিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করতে বড় ভাই জোবায়েদ পানিতে ঝাঁপ দেয়। সেও পানিতে তলিয়ে যায়। দুই শিশুকে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁদের মা পুকুরপাড়ে গিয়ে একজনকে পানিতে...
১ ঘণ্টা আগে
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ছয় বছর বয়সী ওই শিশুকে কবুতরের বাচ্চা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নেন অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম। পরে ঘরের ভেতর শিশুটির মুখ চেপে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় শিশুটি চিৎকার করে এবং ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সে দৌড়ে বাড়িতে গিয়ে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরবর্তী সময়ে পরিবারের লো
২ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতের রোকন ও গ্রাম্য চিকিৎসক ওমর ফারুককে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যায় পাকারমাথা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
২ ঘণ্টা আগে