কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নাজমীন সুলতানাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক (সদর আমলি) রাকিবুল হাসান কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে সাবেক এমপিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল শনিবার রাতে কুড়িগ্রাম পুরাতন শহরের মোক্তারপাড়া গ্রামের নিজ বাসভবন থেকে নাজমীন সুলতানাকে আটক করে পুলিশ। আজ সকালে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়, কিন্তু এক আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে এদিন আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকে। ফলে সাবেক এই নারী এমপিকে প্রায় দিনভর আদালতের হাজতখানায় থাকতে হয়েছে।
এ সময় হাজতখানায় তাঁকে অনেকটা বিমর্ষ দেখা গেছে। ভেতরে তিনি বারবার পায়চারি করছিলেন। পরে বিকেল ৩টার পরে তাঁকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আহমেদ নাজমীন সুলতানা নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৬ এর সংসদ সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের দুই মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্তার হোসেন চিনুর স্ত্রী।
এ ছাড়া নবম জাতীয় সংসদে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। এমপি থাকাকালে বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ টাকার বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহম্মেদ ও সদস্য আবু তাহের সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। ওই দুটি মামলায় সাবেক এমপি আহমেদ নাজমীন সুলতানাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ (রোববার) তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

কুড়িগ্রাম জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নাজমীন সুলতানাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ রোববার কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক (সদর আমলি) রাকিবুল হাসান কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে সাবেক এমপিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল শনিবার রাতে কুড়িগ্রাম পুরাতন শহরের মোক্তারপাড়া গ্রামের নিজ বাসভবন থেকে নাজমীন সুলতানাকে আটক করে পুলিশ। আজ সকালে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়, কিন্তু এক আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে এদিন আদালতের নিয়মিত কার্যক্রম বন্ধ থাকে। ফলে সাবেক এই নারী এমপিকে প্রায় দিনভর আদালতের হাজতখানায় থাকতে হয়েছে।
এ সময় হাজতখানায় তাঁকে অনেকটা বিমর্ষ দেখা গেছে। ভেতরে তিনি বারবার পায়চারি করছিলেন। পরে বিকেল ৩টার পরে তাঁকে আদালতে নেওয়া হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আহমেদ নাজমীন সুলতানা নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৬ এর সংসদ সদস্য ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের দুই মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্তার হোসেন চিনুর স্ত্রী।
এ ছাড়া নবম জাতীয় সংসদে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। এমপি থাকাকালে বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ টাকার বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশ সূত্র জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহম্মেদ ও সদস্য আবু তাহের সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন। ওই দুটি মামলায় সাবেক এমপি আহমেদ নাজমীন সুলতানাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ (রোববার) তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
২ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে