কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের উলিপুরে জেলা প্রশাসনের একটি স্পিডবোটে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন রোধ প্রকল্প পরিদর্শনে যান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। তাঁদের নামিয়ে দিয়ে ধরলা নদীপথে কুড়িগ্রামে ফেরার পথে স্পিডবোটে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার বিকেলে উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের সরকারপাড়ায় ধরলা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
আজ রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শোভন রাংসা। তিনি বলেন, ‘পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব স্যারকে রমনা ঘাটে নামিয়ে স্পিডবোটটি ধরলা ব্রিজ এলাকায় ফিরছিল। এ সময় হঠাৎ তাতে আগুন লেগে যায় বলে জেনেছি। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, শনিবার বিকেলে ধরলা নদীপথে কুড়িগ্রামে ফেরার পথে বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারপাড়া এলাকায় চলন্ত স্পিডবোটে হঠাৎ আগুন লাগে। চালক বোটটি দ্রুত তীরে ভিড়িয়ে নেমে পড়েন। স্পিডবোটে জারে করে রাখা অতিরিক্ত জ্বালানি ছিল। আগুনের তীব্রতায় কেউ বোটটির কাছে ভিড়তে পারছিল না। ফলে আগুন নেভানোর কোনো ধরনের চেষ্টা ছাড়াই বোটটি পুড়ে যায়। ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফসহ জেলা প্রশাসনে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্পিডবোটে চালকসহ দুজন ছিলেন। তাঁরা বলেছেন , চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ আগুন লেগে যায়। কীভাবে বা কী কারণে আগুন লেগেছে তা জানা যায়নি। পরে সন্ধ্যার আগে জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও অন্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।’
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

কুড়িগ্রামের উলিপুরে জেলা প্রশাসনের একটি স্পিডবোটে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন রোধ প্রকল্প পরিদর্শনে যান পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান ও তাঁর সফরসঙ্গীরা। তাঁদের নামিয়ে দিয়ে ধরলা নদীপথে কুড়িগ্রামে ফেরার পথে স্পিডবোটে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল শনিবার বিকেলে উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের সরকারপাড়ায় ধরলা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
আজ রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শোভন রাংসা। তিনি বলেন, ‘পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব স্যারকে রমনা ঘাটে নামিয়ে স্পিডবোটটি ধরলা ব্রিজ এলাকায় ফিরছিল। এ সময় হঠাৎ তাতে আগুন লেগে যায় বলে জেনেছি। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্তে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কমিটি গঠন করা হয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, শনিবার বিকেলে ধরলা নদীপথে কুড়িগ্রামে ফেরার পথে বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারপাড়া এলাকায় চলন্ত স্পিডবোটে হঠাৎ আগুন লাগে। চালক বোটটি দ্রুত তীরে ভিড়িয়ে নেমে পড়েন। স্পিডবোটে জারে করে রাখা অতিরিক্ত জ্বালানি ছিল। আগুনের তীব্রতায় কেউ বোটটির কাছে ভিড়তে পারছিল না। ফলে আগুন নেভানোর কোনো ধরনের চেষ্টা ছাড়াই বোটটি পুড়ে যায়। ঘটনার পর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফসহ জেলা প্রশাসনে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। স্পিডবোটে চালকসহ দুজন ছিলেন। তাঁরা বলেছেন , চলন্ত অবস্থায় হঠাৎ আগুন লেগে যায়। কীভাবে বা কী কারণে আগুন লেগেছে তা জানা যায়নি। পরে সন্ধ্যার আগে জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও অন্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।’
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে