চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের চিলমারী থানায় পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র আনতে গিয়ে নামের মিল থাকায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। তবে চার ঘণ্টা পর তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার চিলমারী মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।
আসামি হিসেবে আটক মো. মাঈদুল ইসলাম (৩৫) বৈলমনদিয়ারখাতা গ্রামের আ. সাত্তারের ছেলে। তিনি আজ পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র নিতে গেলে যৌতুকের মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাঁকে আটক করেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রতন কুমার।
এদিকে মূল আসামি একই এলাকার আ. ছাত্তার আলীর ছেলে মাঈদুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে সৌদি আরব প্রবাসী বলে তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম জানিয়েছেন। প্রায় ১৬ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে হাসিনা বেগম বাদী হয়ে ২০১৬ সালে কুড়িগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ২০১১ সালে মাঈদুল ইসলামের দুই বছরের সাজা হয়।
চিলমারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকিউল ইসলাম বলেন, তিনি থানায় গিয়ে মুচলেকা দিয়ে আটক মাঈদুলকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
মালার বাদী হাসিনা বেগম (হাসি) বলেন, ‘আমি যে মাইদুলের নামে মামলা করেছি সে সৌদিতে থাকে। আমার সন্তানের বাবা সে। ১২ বছর আগে মামলা করেছিলাম। আমি শুনেছি কয়েক দিন আগে দেশে এসে আবার সৌদিতে চলে গেছে। মাইদুল ইসলাম নামে কে আটক হয়েছে তা আমি জানি না।’
আটককৃত যুবক মাঈদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিয়ে করেছি ২০১৭ সালে। আর যে মামলায় আটক করা হয়, সেই মামলা হয়েছে ২০১১ সালে। আমার নামে থানা কিংবা আদালতে কোনো মামলা নাই। নামের মিল থাকায় না জেনে শুনে পুলিশ আটক করলে আমি অবাক হই। পুলিশ আমার চার ঘণ্টা সময় নষ্ট করেছে যেটা কারও কাম্য নয়। এতে প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করছি।’
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামি আর ওই ব্যক্তির নাম এক হওয়ায় মাঈদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছিল। পরে তদন্ত করে জানা যায় তিনি আসামি নন। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রামের চিলমারী থানায় পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র আনতে গিয়ে নামের মিল থাকায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। তবে চার ঘণ্টা পর তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার চিলমারী মডেল থানায় এ ঘটনা ঘটে।
আসামি হিসেবে আটক মো. মাঈদুল ইসলাম (৩৫) বৈলমনদিয়ারখাতা গ্রামের আ. সাত্তারের ছেলে। তিনি আজ পাসপোর্টের প্রত্যয়নপত্র নিতে গেলে যৌতুকের মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে তাঁকে আটক করেন পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রতন কুমার।
এদিকে মূল আসামি একই এলাকার আ. ছাত্তার আলীর ছেলে মাঈদুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে সৌদি আরব প্রবাসী বলে তাঁর স্ত্রী হাসিনা বেগম জানিয়েছেন। প্রায় ১৬ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর যৌতুক ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে হাসিনা বেগম বাদী হয়ে ২০১৬ সালে কুড়িগ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় ২০১১ সালে মাঈদুল ইসলামের দুই বছরের সাজা হয়।
চিলমারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. জাকিউল ইসলাম বলেন, তিনি থানায় গিয়ে মুচলেকা দিয়ে আটক মাঈদুলকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।
মালার বাদী হাসিনা বেগম (হাসি) বলেন, ‘আমি যে মাইদুলের নামে মামলা করেছি সে সৌদিতে থাকে। আমার সন্তানের বাবা সে। ১২ বছর আগে মামলা করেছিলাম। আমি শুনেছি কয়েক দিন আগে দেশে এসে আবার সৌদিতে চলে গেছে। মাইদুল ইসলাম নামে কে আটক হয়েছে তা আমি জানি না।’
আটককৃত যুবক মাঈদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিয়ে করেছি ২০১৭ সালে। আর যে মামলায় আটক করা হয়, সেই মামলা হয়েছে ২০১১ সালে। আমার নামে থানা কিংবা আদালতে কোনো মামলা নাই। নামের মিল থাকায় না জেনে শুনে পুলিশ আটক করলে আমি অবাক হই। পুলিশ আমার চার ঘণ্টা সময় নষ্ট করেছে যেটা কারও কাম্য নয়। এতে প্রচণ্ড অপমানিত বোধ করছি।’
এ বিষয়ে চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাম্মেল হক জানান, সাজাপ্রাপ্ত আসামি আর ওই ব্যক্তির নাম এক হওয়ায় মাঈদুল ইসলামকে আটক করা হয়েছিল। পরে তদন্ত করে জানা যায় তিনি আসামি নন। তাই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে