কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নুর মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা শহরের নিজ বাড়ির কাছ থেকে গ্রেপ্তার হন এই আওয়ামী লীগ নেতা।
রাজারহাট থানার ডিউটি অফিসার ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবু নুর উপজেলা সদরের গোবর্ধন দোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নিজ দল ও বিরোধী দলের কর্মীদের ওপর নানা সময় নির্যাতনের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। নানা অপকর্মের অভিযোগে তিনি ছিলেন আলোচিত-সমালোচিত।
থানা সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে রাজারহাট উপজেলা শহরে হান্নান আলী নামের এক ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় হওয়া মামলায় আবু নুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজারহাট থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী হান্নান। আবু নুর ওই মামলায় এজাহার নামীয় এক নম্বর আসামি।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিরোধী দল ও বিরোধী মত দমনে বিভিন্ন সময় আলোচিত ও সমালোচিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আবু নুর। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-বাণিজ্যসহ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমনকি উপজেলার সংবাদকর্মীদের দমন ও প্রেসক্লাবে হামলার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তারের খবরে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সমন্বয়ক খন্দকার আরিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময়কালে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সকলে মিলে যে সুযোগ-সুবিধা ও সম্পদের মালিক হয়েছেন, আবু নুর একাই তার চেয়ে বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি ছিলেন বেপরোয়া। তাঁর আধিপত্য ছিল একচেটিয়া। আমরা চাই তাঁর সকল অপকর্মের আইনানুগ বিচার হোক।’
এ ব্যাপারে জানতে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিমকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ডিউটি অফিসার সফিকুল ইসলাম বলেন, আজ বিকেলে গ্রেপ্তার আবু নুরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নুর মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা শহরের নিজ বাড়ির কাছ থেকে গ্রেপ্তার হন এই আওয়ামী লীগ নেতা।
রাজারহাট থানার ডিউটি অফিসার ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবু নুর উপজেলা সদরের গোবর্ধন দোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘ কয়েক বছর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
নিজ দল ও বিরোধী দলের কর্মীদের ওপর নানা সময় নির্যাতনের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। নানা অপকর্মের অভিযোগে তিনি ছিলেন আলোচিত-সমালোচিত।
থানা সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে রাজারহাট উপজেলা শহরে হান্নান আলী নামের এক ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় হওয়া মামলায় আবু নুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজারহাট থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী হান্নান। আবু নুর ওই মামলায় এজাহার নামীয় এক নম্বর আসামি।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে বিরোধী দল ও বিরোধী মত দমনে বিভিন্ন সময় আলোচিত ও সমালোচিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আবু নুর। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-বাণিজ্যসহ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমনকি উপজেলার সংবাদকর্মীদের দমন ও প্রেসক্লাবে হামলার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তারের খবরে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সমন্বয়ক খন্দকার আরিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সময়কালে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সকলে মিলে যে সুযোগ-সুবিধা ও সম্পদের মালিক হয়েছেন, আবু নুর একাই তার চেয়ে বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন। তিনি ছিলেন বেপরোয়া। তাঁর আধিপত্য ছিল একচেটিয়া। আমরা চাই তাঁর সকল অপকর্মের আইনানুগ বিচার হোক।’
এ ব্যাপারে জানতে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিমকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ডিউটি অফিসার সফিকুল ইসলাম বলেন, আজ বিকেলে গ্রেপ্তার আবু নুরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে