কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের ৪ নম্বর ফিডারের প্রায় ৭ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে ৩০ ঘণ্টা ধরে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে শহরের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে শুরু হওয়া ঝোড়ো বাতাসে কয়েকটি বড় গাছ বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এটি স্বাভাবিক হয়নি এখনো।
শহরের গাইটাল শ্রীধরখিলার একাংশ, গাইটাল পাক্কার মাথা, শিক্ষকপল্লি, গাইটাল নামাপাড়া, কলাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যাঁদের বাসায় বিদ্যুৎ এসেছে, বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহের জন্য তাঁদের বাসায় লাইন ধরেছেন পরিচিতরা। দোকানদারেরা বাইরে থেকে আসা সামান্য আলো কিংবা চার্জারের সাহায্যে তাঁদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। রাতে যানবাহনে চার্জ দিতে না পারায় দিনে যাত্রী পরিবহন করতে পারেননি অটোরিকশাচালকেরা। এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, ক্লিনিকগুলোতেও ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ।
মিশু সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন মুরাদ বলেন, ‘সোমবার সকালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বাসভবনের ভেতরে একটি গাছ বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে যায়। ২৬ ঘণ্টারও অধিক সময় পরে কাঠুরে এনে গাছটির ডালপালা কাটেন বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন। এটা কিছু হইলো? এমন অমানবিক হলে চলে? ৩০ ঘণ্টা হয়ে গেল বিদ্যুৎ নেই। জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আর কী বলার আছে!
গাইটাল পাক্কার মাথা এলাকার বাসিন্দা ও এসএসসি পরীক্ষার্থী নূর মোহাম্মদ আকসিন বলে, পড়াশোনা করতে পারছি না। মোমবাতি দিয়ে কতক্ষণ পড়া যায়? কী যে করব বুঝতে পারছি না। সামনে পরীক্ষা।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী সানজিদ আহমেদ প্লাবন বলে, এমনিতেই লোডশেডিংয়ের জন্য পড়াশোনায় সমস্যা হয়। এখন ৩০ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুহীন অবস্থায় আছি। পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে খুব। দ্রুত সমস্যার সমাধান চাই।
রাকুয়াইল এলাকার বাসিন্দা ফ্রিল্যান্সার ইয়াজ ইবনে জসিম বলেন, ‘সোমবার রাত ৯টার দিকে বাতাসের গতি যখন বাড়ে, তখন রাকুয়াইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিদ্যুতের লাইনে আগুন ধরে যায়। লাল স্ফুলিঙ্গ বের হতে থাকে। ঝোড়ো হাওয়ায় গাছ ভেঙে ওই বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে যায়। আমি এ ঘটনা নিজ চোখে দেখছিলাম। আতঙ্কিত হয়ে পড়ি তখন।’
কিশোরগঞ্জ পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম আহমেদ বলছেন, ‘কয়েকটি বড় গাছ বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে গেছে। এত বড় গাছ যে মঙ্গলবার সকালে কাঠুরে এনে কাটাতে হচ্ছে। গাছ কাটা শেষ হলে লাইন চেক করে বিদ্যুতের সংযোগ চালু করা হবে।’

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের ৪ নম্বর ফিডারের প্রায় ৭ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে ৩০ ঘণ্টা ধরে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে শহরের প্রায় ৭০ হাজার মানুষ। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে শুরু হওয়া ঝোড়ো বাতাসে কয়েকটি বড় গাছ বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এটি স্বাভাবিক হয়নি এখনো।
শহরের গাইটাল শ্রীধরখিলার একাংশ, গাইটাল পাক্কার মাথা, শিক্ষকপল্লি, গাইটাল নামাপাড়া, কলাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যাঁদের বাসায় বিদ্যুৎ এসেছে, বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহের জন্য তাঁদের বাসায় লাইন ধরেছেন পরিচিতরা। দোকানদারেরা বাইরে থেকে আসা সামান্য আলো কিংবা চার্জারের সাহায্যে তাঁদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। রাতে যানবাহনে চার্জ দিতে না পারায় দিনে যাত্রী পরিবহন করতে পারেননি অটোরিকশাচালকেরা। এ ছাড়া ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, ক্লিনিকগুলোতেও ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ।
মিশু সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল আমিন মুরাদ বলেন, ‘সোমবার সকালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বাসভবনের ভেতরে একটি গাছ বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে যায়। ২৬ ঘণ্টারও অধিক সময় পরে কাঠুরে এনে গাছটির ডালপালা কাটেন বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন। এটা কিছু হইলো? এমন অমানবিক হলে চলে? ৩০ ঘণ্টা হয়ে গেল বিদ্যুৎ নেই। জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে আর কী বলার আছে!
গাইটাল পাক্কার মাথা এলাকার বাসিন্দা ও এসএসসি পরীক্ষার্থী নূর মোহাম্মদ আকসিন বলে, পড়াশোনা করতে পারছি না। মোমবাতি দিয়ে কতক্ষণ পড়া যায়? কী যে করব বুঝতে পারছি না। সামনে পরীক্ষা।
এইচএসসি পরীক্ষার্থী সানজিদ আহমেদ প্লাবন বলে, এমনিতেই লোডশেডিংয়ের জন্য পড়াশোনায় সমস্যা হয়। এখন ৩০ ঘণ্টা ধরে বিদ্যুহীন অবস্থায় আছি। পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে খুব। দ্রুত সমস্যার সমাধান চাই।
রাকুয়াইল এলাকার বাসিন্দা ফ্রিল্যান্সার ইয়াজ ইবনে জসিম বলেন, ‘সোমবার রাত ৯টার দিকে বাতাসের গতি যখন বাড়ে, তখন রাকুয়াইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিদ্যুতের লাইনে আগুন ধরে যায়। লাল স্ফুলিঙ্গ বের হতে থাকে। ঝোড়ো হাওয়ায় গাছ ভেঙে ওই বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে যায়। আমি এ ঘটনা নিজ চোখে দেখছিলাম। আতঙ্কিত হয়ে পড়ি তখন।’
কিশোরগঞ্জ পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম আহমেদ বলছেন, ‘কয়েকটি বড় গাছ বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ে গেছে। এত বড় গাছ যে মঙ্গলবার সকালে কাঠুরে এনে কাটাতে হচ্ছে। গাছ কাটা শেষ হলে লাইন চেক করে বিদ্যুতের সংযোগ চালু করা হবে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৯ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৭ মিনিট আগে