কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

বাঁচব না হয় মরব, কোনো রাজাকার-আলবদরের বাচ্চা মুক্তিযুদ্ধকে এ দেশ থেকে মুছতে পারবে না—এমন মন্তব্য করেছেন পদ স্থগিত হওয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের মিঠামইন বাজার শেডে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘যখন দেখছি মুক্তিযুদ্ধ রাখবে না। যখন দেখছি মুক্তিযুদ্ধকে কবর দিয়ে দিবে। যখন দেখছি ৩০ লাখ মানুষের রক্ত এ দেশে বৃথা যাবে। যখন দেখছি দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের মূল্য থাকবে না।
‘তখন আমি মনে করেছি, না আমি ছাড়ব না। আমি তাদের ছাড়ব না, যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে। সেই কথা বলতে বলতে এমন এক জায়গায় পৌঁছলাম, যখন আমার সঙ্গে যুক্তিতে পারে না তখন ওরা বলা শুরু করল, আরে ও তো পাগল, ও তো ফজু পাগলা। আমাকে পাগল উপাধি দিয়ে রাজাকারেরা বাঁচতে চায়।’
অ্যাডভোকেট ফজলুর বলেন, ‘আমি আপনাদের সামনে সারা জাতিকে শপথ করাতে চাই—আমি কোনো দিন মুক্তিযুদ্ধের বাইরে কোনো কাজ করব না, মুক্তিযুদ্ধের বাইরে যাব না। মুক্তিযুদ্ধ এ দেশ থেকে যাবে না।
‘এই যে স্টেজে বসে আছেন মুক্তিযোদ্ধারা, তাঁদের সাক্ষী রেখে বলছি, তাঁদের আমি স্যালুট দিয়ে বলছি, হে মুক্তিযোদ্ধারা, আমি তোমাদের ভাই। তোমরা আমার সঙ্গে আছ, তোমরা আমাকে আনছ, কথা দিয়ে গেলাম—জীবন অথবা মৃত্যু, কোনো রাজাকার-আলবদরের বাচ্চা মুক্তিযুদ্ধকে এ দেশ থেকে বিনাশ করতে পারবে না।’
ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার মানুষের উদ্দেশে ফজলুর রহমান বলেন, ‘জীবনে-মরণে কোনো দিন আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। মৃত্যুর পর আমার লাশটা হাওরে আসবে, আপনাদের এলাকায় আসবে। আমি মরার পরে আপনাদের সিদ্ধান্তে এই এলাকাতে আমি কবরে ঘুমাব। আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না।’
পদ স্থগিত হওয়া প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, ‘দল আমাকে তিন মাসের শাস্তি দিয়েছে, এটা আমি মানি। কিন্তু আমি কোনো অপরাধী মানুষ না। আগামী নির্বাচন আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আমি আমার দলের মার্কা চাই—ধানের শিষ চাই।’
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ ভূঁইয়া, ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ছেলে ব্যারিস্টার অভীক রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সহিদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মোতালিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কুটিল চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনিল চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাদেক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল খালেক প্রমুখ।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে বিকেলে সভা শুরুর আগ থেকে বিএনপি নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ নদী ও সড়কপথে মিছিল নিয়ে মিঠামইন সদরে আসেন। এসব মিছিলে ফজলুর রহমানের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় তিনি হাজার হাজার জনতার ভালোবাসায় সিক্ত হন।

বাঁচব না হয় মরব, কোনো রাজাকার-আলবদরের বাচ্চা মুক্তিযুদ্ধকে এ দেশ থেকে মুছতে পারবে না—এমন মন্তব্য করেছেন পদ স্থগিত হওয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের মিঠামইন বাজার শেডে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘যখন দেখছি মুক্তিযুদ্ধ রাখবে না। যখন দেখছি মুক্তিযুদ্ধকে কবর দিয়ে দিবে। যখন দেখছি ৩০ লাখ মানুষের রক্ত এ দেশে বৃথা যাবে। যখন দেখছি দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের মূল্য থাকবে না।
‘তখন আমি মনে করেছি, না আমি ছাড়ব না। আমি তাদের ছাড়ব না, যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে। সেই কথা বলতে বলতে এমন এক জায়গায় পৌঁছলাম, যখন আমার সঙ্গে যুক্তিতে পারে না তখন ওরা বলা শুরু করল, আরে ও তো পাগল, ও তো ফজু পাগলা। আমাকে পাগল উপাধি দিয়ে রাজাকারেরা বাঁচতে চায়।’
অ্যাডভোকেট ফজলুর বলেন, ‘আমি আপনাদের সামনে সারা জাতিকে শপথ করাতে চাই—আমি কোনো দিন মুক্তিযুদ্ধের বাইরে কোনো কাজ করব না, মুক্তিযুদ্ধের বাইরে যাব না। মুক্তিযুদ্ধ এ দেশ থেকে যাবে না।
‘এই যে স্টেজে বসে আছেন মুক্তিযোদ্ধারা, তাঁদের সাক্ষী রেখে বলছি, তাঁদের আমি স্যালুট দিয়ে বলছি, হে মুক্তিযোদ্ধারা, আমি তোমাদের ভাই। তোমরা আমার সঙ্গে আছ, তোমরা আমাকে আনছ, কথা দিয়ে গেলাম—জীবন অথবা মৃত্যু, কোনো রাজাকার-আলবদরের বাচ্চা মুক্তিযুদ্ধকে এ দেশ থেকে বিনাশ করতে পারবে না।’
ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলার মানুষের উদ্দেশে ফজলুর রহমান বলেন, ‘জীবনে-মরণে কোনো দিন আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না। মৃত্যুর পর আমার লাশটা হাওরে আসবে, আপনাদের এলাকায় আসবে। আমি মরার পরে আপনাদের সিদ্ধান্তে এই এলাকাতে আমি কবরে ঘুমাব। আমি আপনাদের ছেড়ে যাব না।’
পদ স্থগিত হওয়া প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, ‘দল আমাকে তিন মাসের শাস্তি দিয়েছে, এটা আমি মানি। কিন্তু আমি কোনো অপরাধী মানুষ না। আগামী নির্বাচন আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। এই নির্বাচনে আমি আমার দলের মার্কা চাই—ধানের শিষ চাই।’
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ ভূঁইয়া, ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, ছেলে ব্যারিস্টার অভীক রহমান প্রমুখ।
উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সহিদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল মোতালিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কুটিল চন্দ্র দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুনিল চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সাদেক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল খালেক প্রমুখ।
স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজনে বিকেলে সভা শুরুর আগ থেকে বিএনপি নেতা-কর্মী, সাধারণ মানুষ নদী ও সড়কপথে মিছিল নিয়ে মিঠামইন সদরে আসেন। এসব মিছিলে ফজলুর রহমানের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় তিনি হাজার হাজার জনতার ভালোবাসায় সিক্ত হন।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
২ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে