নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা। অর্থাৎ জামায়াত থেকে প্রায় ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে বিএনপি।
আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (আইআইএলডি) পরিচালিত ‘প্রাক-নির্বাচনী জনমত জরিপ: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক এক জরিপে এমনটি জানানো হয়েছে।
প্রজেকশন বিডি, জাগরণ ফাউন্ডেশন ও ন্যারাটিভ সহযোগী হিসেবে ‘প্রি-ইলেকশন পালস: অ্যান ইন-ডেপথ অ্যানালাইসিস অব দ্য বাংলাদেশি ইলেকটোরেট’ নামে এ জরিপ পরিচালনা করে। আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন। এ সময় রাজনৈতিক বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন পর্যালোচনাকারীরা।
জরিপে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, বর্তমান জনসমর্থনের ভিত্তিতে ভোটের সম্ভাব্য বণ্টনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৭ দশমিক ১ শতাংশ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩ দশমিক ১ শতাংশ জনসমর্থন রয়েছে। অন্যান্য দলের রয়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বা সিদ্ধান্তহীন ভোটারের সংখ্যা ১৭ শতাংশ। মেশিন লার্নিং (এমএল) প্রজেকশন অনুযায়ী তারা দেখিয়েছে, এই সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের মধ্যে ৪৩ দশমিক ২ শতাংশের ঝোঁক বিএনপির দিকে এবং জামায়াতে ইসলামীর দিকে ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে বিএনপি ১ শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছে, তবে জোট হিসাব করলে জামায়াতে ইসলামী ১০ শতাংশ এগিয়ে।
২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর এক মাসব্যাপী জরিপটি পরিচালিত করে তারা। এতে দেশের ৬৪ জেলার ২৯৫টি সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন পেশার ২২ হাজার ১৭৪ জন নিবন্ধিত ভোটার অংশগ্রহণ করেন। ভৌগোলিক, শহর, গ্রাম ও জনসংখ্যাগত ভারসাম্য নিশ্চিত করতে তারা স্ট্রাটিফায়েড স্যাম্পলিং ডিজাইন অনুসরণ করে এবং ২০২২ সালের জাতীয় আদমশুমারির ভিত্তিতে পোস্ট-স্ট্রাটিফিকেশন ওয়েটিং প্রয়োগ করা হয়।
বিএনপির ৭২ দশমিক ১ শতাংশ সমর্থকের অতীত অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতাকে সমর্থনের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে ৩০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী কর্মক্ষম ভোটারদের মধ্যে বিএনপির সমর্থন বেশি। পেশাজীবীদের মধ্যে কৃষক ও শ্রমিকদের শক্ত অবস্থানে অর্থাৎ ৮৩ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর কম দুর্নীতিগ্রস্ত ও সততার ভাবমূর্তির কারণে সমর্থন করছে ৮৫ দশমিক ৫ শতাংশ। তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন সর্বোচ্চ বলে উল্লেখ করে তারা। এ ছাড়া স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের মধ্যে দলটির সমর্থন অন্য যেকোনো দলের চেয়ে বেশি। জানানো হয়, জামায়াতে ইসলামী ডিজিটাল মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। এদিকে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে এনসিপিকে সমর্থন করার পেছনে জুলাই বিপ্লবে ভূমিকাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়েছে তারা।
আনডিসাইডেড ভোটার বা সিদ্ধান্তহীন ১৭ শতাংশ ভোটারের মধ্যে ৩০ দশমিক ১ শতাংশ কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারছে না এবং ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার কোনো মতামত দেননি। জরিপকারীরা মনে করে, এই ভোটাররাই শেষপর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন।
পর্যালোচনাকারীরা বলছেন, বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপট ও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে বাস্তব প্রেক্ষাপটে বিএনপির সমর্থনে সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে আরও বেশি এগিয়ে থাকবে বলে জানায় তারা।
জরিপে সিদ্ধান্তহীন ১৭ শতাংশ ভোটারের উল্লেখ থাকলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।
জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা। অর্থাৎ জামায়াত থেকে প্রায় ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে বিএনপি।
আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডিপ্লোমেসি (আইআইএলডি) পরিচালিত ‘প্রাক-নির্বাচনী জনমত জরিপ: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক এক জরিপে এমনটি জানানো হয়েছে।
প্রজেকশন বিডি, জাগরণ ফাউন্ডেশন ও ন্যারাটিভ সহযোগী হিসেবে ‘প্রি-ইলেকশন পালস: অ্যান ইন-ডেপথ অ্যানালাইসিস অব দ্য বাংলাদেশি ইলেকটোরেট’ নামে এ জরিপ পরিচালনা করে। আইআইএলডির নির্বাহী পরিচালক শফিউল আলম শাহীন সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন। এ সময় রাজনৈতিক বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন পর্যালোচনাকারীরা।
জরিপে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, বর্তমান জনসমর্থনের ভিত্তিতে ভোটের সম্ভাব্য বণ্টনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৭ দশমিক ১ শতাংশ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩ দশমিক ১ শতাংশ জনসমর্থন রয়েছে। অন্যান্য দলের রয়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বা সিদ্ধান্তহীন ভোটারের সংখ্যা ১৭ শতাংশ। মেশিন লার্নিং (এমএল) প্রজেকশন অনুযায়ী তারা দেখিয়েছে, এই সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের মধ্যে ৪৩ দশমিক ২ শতাংশের ঝোঁক বিএনপির দিকে এবং জামায়াতে ইসলামীর দিকে ৪০ দশমিক ৮ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর চেয়ে বিএনপি ১ শতাংশ জনসমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছে, তবে জোট হিসাব করলে জামায়াতে ইসলামী ১০ শতাংশ এগিয়ে।
২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর এক মাসব্যাপী জরিপটি পরিচালিত করে তারা। এতে দেশের ৬৪ জেলার ২৯৫টি সংসদীয় আসনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন পেশার ২২ হাজার ১৭৪ জন নিবন্ধিত ভোটার অংশগ্রহণ করেন। ভৌগোলিক, শহর, গ্রাম ও জনসংখ্যাগত ভারসাম্য নিশ্চিত করতে তারা স্ট্রাটিফায়েড স্যাম্পলিং ডিজাইন অনুসরণ করে এবং ২০২২ সালের জাতীয় আদমশুমারির ভিত্তিতে পোস্ট-স্ট্রাটিফিকেশন ওয়েটিং প্রয়োগ করা হয়।
বিএনপির ৭২ দশমিক ১ শতাংশ সমর্থকের অতীত অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক সক্ষমতাকে সমর্থনের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে ৩০ থেকে ৫৯ বছর বয়সী কর্মক্ষম ভোটারদের মধ্যে বিএনপির সমর্থন বেশি। পেশাজীবীদের মধ্যে কৃষক ও শ্রমিকদের শক্ত অবস্থানে অর্থাৎ ৮৩ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর কম দুর্নীতিগ্রস্ত ও সততার ভাবমূর্তির কারণে সমর্থন করছে ৮৫ দশমিক ৫ শতাংশ। তরুণ প্রজন্মের ভোটারদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন সর্বোচ্চ বলে উল্লেখ করে তারা। এ ছাড়া স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের মধ্যে দলটির সমর্থন অন্য যেকোনো দলের চেয়ে বেশি। জানানো হয়, জামায়াতে ইসলামী ডিজিটাল মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ার তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। এদিকে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে এনসিপিকে সমর্থন করার পেছনে জুলাই বিপ্লবে ভূমিকাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখিয়েছে তারা।
আনডিসাইডেড ভোটার বা সিদ্ধান্তহীন ১৭ শতাংশ ভোটারের মধ্যে ৩০ দশমিক ১ শতাংশ কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারছে না এবং ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ ভোটার কোনো মতামত দেননি। জরিপকারীরা মনে করে, এই ভোটাররাই শেষপর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন।
পর্যালোচনাকারীরা বলছেন, বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপট ও খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরে বাস্তব প্রেক্ষাপটে বিএনপির সমর্থনে সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে আরও বেশি এগিয়ে থাকবে বলে জানায় তারা।
জরিপে সিদ্ধান্তহীন ১৭ শতাংশ ভোটারের উল্লেখ থাকলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৩৬ মিনিট আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
১ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৪ ঘণ্টা আগে