কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মাদক নিরাময়কেন্দ্র (রিহাব সেন্টার) থেকে ফেরা এক যুবক তাঁর চাচাকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর নিজের গলা নিজেই কেটে আহত হন বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের গাঙ্গাইল পাঠানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুর রাজ্জাক লেবু মিয়া (৮০) পাঠানপাড়া গ্রামের মৃত মেওয়া মিয়ার ছেলে এবং আহত মোস্তাকিন মিয়া (২৫) একই গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুর রাজ্জাক লেবু মিয়া তাঁর প্রতিবেশী এবং চাচাতো ভাতিজা মোস্তাকিন মিয়াকে অস্বাভাবিক চলাফেরা করতে দেখে ভালোভাবে এলাকায় চলাফেরা করার জন্য বলেন। এ কথা শুনে মোস্তাকিন উত্তেজিত হয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু করেন। একপর্যায়ে মোস্তাকিন তাঁর ঘর থেকে দা নিয়ে এসে লেবু মিয়াকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে লেবু মিয়া গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
পরে অভিযুক্ত মোস্তাকিন তাঁর হাতে থাকা দা দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিলে গলায় গুরুতর জখম হয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এসে লেবুকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। মোস্তাকিনের গলায় গুরুতর জখম দেখতে পেয়ে দ্রুত কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লেবু মিয়ার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। মোস্তাকিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করলে পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা যায় অভিযুক্ত মোস্তাকিন প্রায় ছয় মাস আগে মাদক নিরাময়কেন্দ্র ছিল। ছোট খাটো বিষয় নিয়ে প্রায়ই মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে মাদক নিরাময়কেন্দ্র (রিহাব সেন্টার) থেকে ফেরা এক যুবক তাঁর চাচাকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর নিজের গলা নিজেই কেটে আহত হন বলে জানা গেছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের গাঙ্গাইল পাঠানপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুর রাজ্জাক লেবু মিয়া (৮০) পাঠানপাড়া গ্রামের মৃত মেওয়া মিয়ার ছেলে এবং আহত মোস্তাকিন মিয়া (২৫) একই গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুর রাজ্জাক লেবু মিয়া তাঁর প্রতিবেশী এবং চাচাতো ভাতিজা মোস্তাকিন মিয়াকে অস্বাভাবিক চলাফেরা করতে দেখে ভালোভাবে এলাকায় চলাফেরা করার জন্য বলেন। এ কথা শুনে মোস্তাকিন উত্তেজিত হয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু করেন। একপর্যায়ে মোস্তাকিন তাঁর ঘর থেকে দা নিয়ে এসে লেবু মিয়াকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে লেবু মিয়া গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।
পরে অভিযুক্ত মোস্তাকিন তাঁর হাতে থাকা দা দিয়ে নিজের গলায় পোঁচ দিলে গলায় গুরুতর জখম হয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এসে লেবুকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। মোস্তাকিনের গলায় গুরুতর জখম দেখতে পেয়ে দ্রুত কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় ও পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লেবু মিয়ার মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। মোস্তাকিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করলে পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়।
করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা যায় অভিযুক্ত মোস্তাকিন প্রায় ছয় মাস আগে মাদক নিরাময়কেন্দ্র ছিল। ছোট খাটো বিষয় নিয়ে প্রায়ই মানুষের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে