কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মসজিদের খতিবকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের মোট আট হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইউনুস খান এ রায় দেন।
আহত আ. ছালাম শিমুহা দিঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও কাজিরগাও পশ্চিমপাড়া মসজিদের খতিব। তিনি উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের কাজিরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
রায় ঘোষণাকালে সাতজন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং দুজন আসামি পলাতক ছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলার অন্য এক আসামি মৃত্যুবরণ করায় মামলা থেকে আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়।
দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন রুহুল আমিন। তিনি সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের কাজিরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তাঁকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দেড় বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন জাহাঙ্গীর মিয়া ও জীবন মিয়া। তাঁদেরও ২ হাজার করে জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া এক বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কাউসার মিয়া ও জসিম উদ্দিন। তাঁদের দুজনকে এক হাজার করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জমির বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের ২০ জুন মসজিদের খতিব আ. ছালামের বাড়ির সীমানায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে তাঁকে কোপানো হয়। এ সময় ছালামকে বাঁচাতে আসলে তাঁর তিন ছেলে ইখলাস, আলাউদ্দিন ও মিনহাজকেও কুপিয়ে আহত করে আসামিরা। পরে ছালামসহ আহতদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২১ জুন ছালামের ছেলে ইখলাস উদ্দিন বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ১০ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। এদিকে আহতদের মধ্যে ইখলাসের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার্ড করে।
মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ মডেল থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম খান আদালতে নয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং একজনের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলার ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ফজলে কাদির মুকুল ও রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এহতাশেমুল হক চৌধুরী জুয়েল।

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মসজিদের খতিবকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের মোট আট হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইউনুস খান এ রায় দেন।
আহত আ. ছালাম শিমুহা দিঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও কাজিরগাও পশ্চিমপাড়া মসজিদের খতিব। তিনি উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের কাজিরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।
রায় ঘোষণাকালে সাতজন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং দুজন আসামি পলাতক ছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মামলার অন্য এক আসামি মৃত্যুবরণ করায় মামলা থেকে আগেই অব্যাহতি দেওয়া হয়।
দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন রুহুল আমিন। তিনি সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের কাজিরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। তাঁকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দেড় বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলেন জাহাঙ্গীর মিয়া ও জীবন মিয়া। তাঁদেরও ২ হাজার করে জরিমানা করা হয়েছে।
এ ছাড়া এক বছর কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কাউসার মিয়া ও জসিম উদ্দিন। তাঁদের দুজনকে এক হাজার করে জরিমানা করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই একই গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জমির বিরোধের জেরে ২০১৮ সালের ২০ জুন মসজিদের খতিব আ. ছালামের বাড়ির সীমানায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে তাঁকে কোপানো হয়। এ সময় ছালামকে বাঁচাতে আসলে তাঁর তিন ছেলে ইখলাস, আলাউদ্দিন ও মিনহাজকেও কুপিয়ে আহত করে আসামিরা। পরে ছালামসহ আহতদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২১ জুন ছালামের ছেলে ইখলাস উদ্দিন বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ১০ জনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। এদিকে আহতদের মধ্যে ইখলাসের অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার্ড করে।
মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ মডেল থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মাজহারুল ইসলাম খান আদালতে নয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং একজনের অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলার ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ফজলে কাদির মুকুল ও রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এহতাশেমুল হক চৌধুরী জুয়েল।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে