সাজন আহম্মেদ পাপন, কিশোরগঞ্জ

প্রথম ধাপে ৮ মে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণসংযোগ, পথসভা ও মিছিলের মাধ্যমে প্রার্থীরা সরব আছেন। এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) অনুসারীরা মরিয়া হয়ে তৎপরতা চালানোয় ভোটের মাঠে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম হাবিবুর রহমান চুন্নু ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের বিষয়টি কর্মী-সমর্থকদের জানিয়েছেন। বাকি চার প্রার্থীকে ঘিরে নির্বাচন পরিণত হয়েছে বিভক্ত আওয়ামী লীগের ভোটের লড়াইয়ে। এ রকম পরিস্থিতিতে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী নেতৃত্ব ও রাজনীতি দ্বন্দ্ব-সংঘাতের পুরোনো পথে হাঁটছে বলে মনে করছেন রাজনীতিসংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা চার চেয়ারম্যান প্রার্থী—রফিকুল ইসলাম রেনু, এ কে এম দিদারুল হক, মো. মকবুল হোসেন এবং এমদাদুল হক জুটনকে ঘিরে এখন চার ভাগে বিভক্ত আওয়ামী লীগ। এর প্রভাব পড়ছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও।
স্থানীয়রা বলছেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি থাকলেও নির্বাচনে দলের সবচেয়ে বড় অংশটির সমর্থন পাচ্ছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম রেনু। দলের সমর্থন ও টিকিটে টানা দুবার তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে হ্যাটট্রিক জয়ের পথে হাঁটছেন তিনি।
কিন্তু তাঁর এ জয়ের পথে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. সোহরাব উদ্দিনের অনুসারীরা। তাঁরা প্রকাশ্যেই চেয়ারম্যান প্রার্থী এমদাদুল হক জুটনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এলাকায় প্রচার রয়েছে, বিএনপি ঘরানার হিসেবে পরিচিত পাটুয়াভাঙ্গা ইউপির চেয়ারম্যান এমদাদুল হক জুটন স্থানীয় এমপি সোহরাব উদ্দিনের নির্দেশনায় ইউপি চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এমপি বলয়ের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা জুটনের পক্ষে নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বিষয়টি নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মকবুল হোসেন অভিযোগের সুরে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের এমপি সোহরাব উদ্দিন নির্দিষ্ট এক প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। যাকে উনি সমর্থন দিয়েছেন, সেই এমদাদুল হক জুটন একজন বিএনপিমনা প্রার্থী। তিনি বিএনপির সমর্থক।’
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আরেক অংশ সাবেক এমপি ও একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত এ কে এম শামছুল হক গোলাপ মিঞার ছেলে এ কে এম দিদারুল হকের পক্ষে মাঠে সরব।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘এগুলো আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ। আমি এলাকাতেই নেই।’
এদিকে নির্বাচন খুব কাছে হলেও উপজেলার সৈয়দগাঁও গ্রামের আবদুল কদ্দুস নামের একজন ভোটার বলেন, বিএনপিসহ বেশির ভাগ দল অংশ না নেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ভোটের সাড়া কম।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচনে পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা হলেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল (মাইক), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম ফজলুল হক বাচ্চু (তালা) এবং কলেজশিক্ষক আতাউর রহমান সোহাগ (উড়োজাহাজ)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার বেগম আপেল (কলস) এবং উপজেলা যুব মহিলা লীগের সম্পাদক ললিতা বেগম বিথী (ফুটবল)।

প্রথম ধাপে ৮ মে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণসংযোগ, পথসভা ও মিছিলের মাধ্যমে প্রার্থীরা সরব আছেন। এর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) অনুসারীরা মরিয়া হয়ে তৎপরতা চালানোয় ভোটের মাঠে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম হাবিবুর রহমান চুন্নু ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। গত ২৯ এপ্রিল বিকেলে তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের বিষয়টি কর্মী-সমর্থকদের জানিয়েছেন। বাকি চার প্রার্থীকে ঘিরে নির্বাচন পরিণত হয়েছে বিভক্ত আওয়ামী লীগের ভোটের লড়াইয়ে। এ রকম পরিস্থিতিতে আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কেন্দ্র করে পাকুন্দিয়ায় আওয়ামী নেতৃত্ব ও রাজনীতি দ্বন্দ্ব-সংঘাতের পুরোনো পথে হাঁটছে বলে মনে করছেন রাজনীতিসংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকা চার চেয়ারম্যান প্রার্থী—রফিকুল ইসলাম রেনু, এ কে এম দিদারুল হক, মো. মকবুল হোসেন এবং এমদাদুল হক জুটনকে ঘিরে এখন চার ভাগে বিভক্ত আওয়ামী লীগ। এর প্রভাব পড়ছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও।
স্থানীয়রা বলছেন, চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে আওয়ামী লীগের মধ্যে বিভক্তি থাকলেও নির্বাচনে দলের সবচেয়ে বড় অংশটির সমর্থন পাচ্ছেন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রফিকুল ইসলাম রেনু। দলের সমর্থন ও টিকিটে টানা দুবার তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে হ্যাটট্রিক জয়ের পথে হাঁটছেন তিনি।
কিন্তু তাঁর এ জয়ের পথে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. সোহরাব উদ্দিনের অনুসারীরা। তাঁরা প্রকাশ্যেই চেয়ারম্যান প্রার্থী এমদাদুল হক জুটনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এলাকায় প্রচার রয়েছে, বিএনপি ঘরানার হিসেবে পরিচিত পাটুয়াভাঙ্গা ইউপির চেয়ারম্যান এমদাদুল হক জুটন স্থানীয় এমপি সোহরাব উদ্দিনের নির্দেশনায় ইউপি চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। এমপি বলয়ের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা জুটনের পক্ষে নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা বিষয়টি নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ ও আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন।
চেয়ারম্যান প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মকবুল হোসেন অভিযোগের সুরে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের এমপি সোহরাব উদ্দিন নির্দিষ্ট এক প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন। যাকে উনি সমর্থন দিয়েছেন, সেই এমদাদুল হক জুটন একজন বিএনপিমনা প্রার্থী। তিনি বিএনপির সমর্থক।’
অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আরেক অংশ সাবেক এমপি ও একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত এ কে এম শামছুল হক গোলাপ মিঞার ছেলে এ কে এম দিদারুল হকের পক্ষে মাঠে সরব।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের সংসদ সদস্য সোহরাব উদ্দিন বলেন, ‘এগুলো আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ। আমি এলাকাতেই নেই।’
এদিকে নির্বাচন খুব কাছে হলেও উপজেলার সৈয়দগাঁও গ্রামের আবদুল কদ্দুস নামের একজন ভোটার বলেন, বিএনপিসহ বেশির ভাগ দল অংশ না নেওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ভোটের সাড়া কম।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাচনে পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী ছাড়াও ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা হলেন বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান জুয়েল (মাইক), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম ফজলুল হক বাচ্চু (তালা) এবং কলেজশিক্ষক আতাউর রহমান সোহাগ (উড়োজাহাজ)। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামসুন্নাহার বেগম আপেল (কলস) এবং উপজেলা যুব মহিলা লীগের সম্পাদক ললিতা বেগম বিথী (ফুটবল)।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে