খুলনায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মো. রকমান (২৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে ১০ দিনে খুলনায় চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে গতকাল বুধবার রাত ৯টায় একই হাসপাতালে রতিকান্ত ডাকুয়া (৮৫) নামের আরও এক করোনা রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি নগরীর খালিশপুর গাবতলা এলাকার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) এবং করোনার ফোকাল পারসন খান আহমেদ ইশতিয়াক আজকের পত্রিকাকে বলেন, রকমান হোসেন করোনায় আক্রান্ত হয়ে গতকাল বুধবার সকালে খুমেক হাসপাতালে ভর্তি হন।
আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা আড়াইটায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি খুলনা মহানগরীর হরিণটানা থানাধীন রায়ের মহল এলাকার বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
হাসপাতালের রেকর্ড অনুযায়ী, ২৪ জুলাই রাত ৮টায় বাগেরহাটের কচুয়া এলাকার আল আমিন (৩৮) এবং ২০ জুলাই দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে হাসপাতালের আইসিইউতে দীপ রায় (২৫) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়। তাঁর বাড়ি খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার স্বপ্নপুরী এলাকায়।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় কৃষিজমিতে গড়ে তোলা হয়েছে ১১টি ইটভাটা। এতে পরিবেশের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকও। কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমাণও। তা ছাড়া ঘনবসতি এলাকা ও কৃষিজমির মধ্যে এসব ইটভাটা স্থাপনের কারণে নির্গত কালো ধোঁয়ায় কৃষি আবাদসহ ফলদ উদ্ভিদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীতে কলকারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে নদ-নদীর পানি ভয়াবহ দূষণের কবলে পড়েছে। একসময়ের জীবন্ত নদীগুলো হারাচ্ছে স্বাভাবিক প্রবাহ ও প্রাণ। এতে নদীতীরবর্তী মানুষের জীবনযাত্রা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
যশোরের গ্রামীণ কাঁচা সড়কের দুই পাশে একসময় সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকা বাবলা, আকাশমণি ও শিশুগাছ আজ কৌশলী নিধনের শিকার। গোড়া কেটে শুকিয়ে ফেলার পর গাছগুলো সরিয়ে নিচ্ছে দুর্বৃত্তরা, অথচ দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের নেই কোনো তদারকি। এক দশকে তিন হাজারের বেশি সরকারি গাছ হারিয়ে গেলেও উদাসীনতার কারণে থামছে
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি ব্যস্ত সড়ক এখন আর যেন সড়ক নেই। দোকানিদের দখলে সেটি পরিণত হয়েছে অস্থায়ী বাজারে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে বিকল্প পথে চাপ বেড়েছে। কষ্টকর হয়ে উঠেছে পথচারীদের নিত্য চলাচল।
২ ঘণ্টা আগে