
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তাঁরা চাকরি দেওয়ার নামে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল বলে জানিয়েছে ডিবি। তাঁদের হেফাজতে থাকা ফটোকপি করা প্রার্থীদের ১৪৭টি প্রবেশপত্র, ১০০টি ব্ল্যাংক চেক ও ৩১০টি ব্ল্যাংক স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে।
আজ শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক মফিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ঘটনায় কেশবপুর উপজেলার শ্যামল দাস বাদী হয়ে ওই দুজনের নামে আজ ভোরে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–দূর্গাপুর গ্রামের সামছুল মোড়লের ছেলে বুলবুল হোসেন (৪৬) ও হাকোবা গ্রামের সন্তোষ কুশারীর ছেলে পলাশ কুশারী (৪৩)।
ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুজন সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকায় চুক্তি করতেন। এরপর প্রার্থীর কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে আগাম টাকা না নিয়ে তাঁরা ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প নিয়ে প্রার্থীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।
মামলার বাদী কেশবপুরের শ্যামল দাসের ছেলে সৌরভ কুমার দাস গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল পদে যশোর জেলায় প্রার্থী ছিল। তাঁকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এই চক্রটি ১৩ লাখ টাকা চুক্তি করে ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প গ্রহণ করে। যদিও পরে বাদীর ছেলের চাকরি হয়নি।
ডিবি আরও জানায়, গোপন সংবাদের পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে মনিরামপুরে অভিযানে নামে তাঁরা। এরপর চক্রের হোতা বুলবুল ও পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামিদের হেফাজতে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তির স্বাক্ষর করা ৩১০টি খালি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, ১০০টি চেক ও ১৪৭টি প্রবেশ পত্র জব্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে যশোর জেলায় পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগের ১৭টি প্রবেশপত্র রয়েছে।

যশোরের মনিরামপুরে সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাঁদের গ্রেপ্তার করে। তাঁরা চাকরি দেওয়ার নামে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল বলে জানিয়েছে ডিবি। তাঁদের হেফাজতে থাকা ফটোকপি করা প্রার্থীদের ১৪৭টি প্রবেশপত্র, ১০০টি ব্ল্যাংক চেক ও ৩১০টি ব্ল্যাংক স্ট্যাম্প উদ্ধার করেছে।
আজ শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক মফিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ঘটনায় কেশবপুর উপজেলার শ্যামল দাস বাদী হয়ে ওই দুজনের নামে আজ ভোরে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন–দূর্গাপুর গ্রামের সামছুল মোড়লের ছেলে বুলবুল হোসেন (৪৬) ও হাকোবা গ্রামের সন্তোষ কুশারীর ছেলে পলাশ কুশারী (৪৩)।
ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার দুজন সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকায় চুক্তি করতেন। এরপর প্রার্থীর কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করে আগাম টাকা না নিয়ে তাঁরা ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প নিয়ে প্রার্থীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল।
মামলার বাদী কেশবপুরের শ্যামল দাসের ছেলে সৌরভ কুমার দাস গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ কনস্টেবল পদে যশোর জেলায় প্রার্থী ছিল। তাঁকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এই চক্রটি ১৩ লাখ টাকা চুক্তি করে ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প গ্রহণ করে। যদিও পরে বাদীর ছেলের চাকরি হয়নি।
ডিবি আরও জানায়, গোপন সংবাদের পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে এই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে মনিরামপুরে অভিযানে নামে তাঁরা। এরপর চক্রের হোতা বুলবুল ও পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আসামিদের হেফাজতে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তির স্বাক্ষর করা ৩১০টি খালি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, ১০০টি চেক ও ১৪৭টি প্রবেশ পত্র জব্দ করা হয়েছে। যার মধ্যে যশোর জেলায় পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগের ১৭টি প্রবেশপত্র রয়েছে।

নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
৪ মিনিট আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১৮ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সৃষ্ট যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
৪১ মিনিট আগে
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে নারাজি দাখিল করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। আজ দুপুরে শুনানি শেষে আদালত নথি পর্যালোচনা করে আদেশ দেবেন বলে জানান।
৪৪ মিনিট আগে