Ajker Patrika

‘কাঁটা শেওলায় বাড়বে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, উৎপাদন হবে দ্বিগুণ’

বাগেরহাট প্রতিনিধি
আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৯: ৩৫
‘কাঁটা শেওলায় বাড়বে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, উৎপাদন হবে দ্বিগুণ’
বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. অনুরাধা ভদ্র। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাগদা চিংড়ির ঘেরে কাঁটা শেওলা থাকলে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং উৎপাদন দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. অনুরাধা ভদ্র।

আজ শনিবার দুপুরে ‘বাগদা চিংড়ি রোগ প্রতিরোধ ও ঘেরের পরিবেশ সুরক্ষায় কাঁটা শেওলার ভূমিকা’-শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. অনুরাধা ভদ্র বলেন, ‘বাগদা চিংড়ির ঘেরের ৩০-৩৮ শতাংশ এলাকায় কাঁটা শেওলা থাকলে চিংড়ির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। চিংড়ি মাছের উৎপাদন হবে দ্বিগুণ। খাবার লাগবে অর্ধেক। চাষিদের লাভও হবে তুলনামূলক অনেক বেশি।’

এ জন্য বাগদা চিংড়ির ঘেরে কাঁটা শেওলা রোপণ করতে আহ্বান জানান তিনি।

অনুরাধা ভদ্র বলেন, সনাতন পদ্ধতিতে বাগদা চিংড়ি চাষে হেক্টর প্রতি মাত্র ৩০০-৩৫০ কেজি চিংড়ি উৎপাদন হয়। খাবার দিতে হয় চিংড়ির শরীরের ওজনের ৫ শতাংশ। ৩০-৩৮ ভাগ এলাকায় কাঁটা শেওলা থাকলে, খাবার দেওয়া লাগবে শরীরের ওজনের আড়াই ভাগ। এতে হেক্টর প্রতি উৎপাদন হবে ৭০০-৮০০ কেজি। সব চাষিকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে জানানোর অনুরোধ করেন এই কর্মকর্তা।

বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন—মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. জাহাংগীর আলম, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ও মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান, ময়মনসিংহ স্বাদুপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হারুনুর রশিদ, বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এসএম তানভিরুল হক, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লোকমান আলী, জেলা মৎস্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক রাজ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।

কর্মশালায় দেশের উপকূলের চিংড়ি চাষ এলাকাসহ মৎস্য বিভাগের বিভিন্ন কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক, চিংড়ি চাষিরা ও গণমাধ্যম কর্মীরা অংশ নেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত