প্রতিনিধি কলারোয়া সাতক্ষীরা

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ২টার দিকে উপজেলার ৮ নম্বর কেরেলকাতা ইউনিয়নের কোটারমোড়ে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আসাদুজ্জামান, কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন মৃধা, এসআই রাজিব, এএসআই আনোয়ারসহ পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।
থানা-পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে মিজান নামের গুলিবিদ্ধ এক ডাকাত সদস্যসহ ডাকাত চক্রের মোট ৬ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলি, একটি পিস্তল ও দুটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্য যশোর সদর কোতোয়ালি থানার মোল্লাপাড়া এলাকার ভলা মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (৪৭)। আটকের পর তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আটক বাকি পাঁচ ডাকাত সদস্য হলেন, ঝিকরগাছা থানার হাজের আলী এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে হুমায়ুন কবির (৩০), সাতক্ষীরা সদর মধ্য কাটিয়া গ্রামের শেখ আব্দুল হামিদের ছেলে সাইদুজ্জামান (২৮), যশোর কোতোয়ালি থানার মোল্লাপাড়া গ্রামের ফজর আলী উকিলের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৬০), শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে আবুল কালাম ও একই গ্রামের নূর মোহাম্মাদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩০)।
মীর আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাইভেট কার নিয়ে ভোররাতে ডাকাত চক্রের সদস্যরা যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক দিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এমন তথ্য পেয়ে থানার ওসি নাসির উদ্দীন মৃধা ও তাঁর টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ামাত্রই ডাকাত সদস্যরা গুলি করতে থাকেন। এ সময় তাঁদের আটক করতে পুলিশও পাল্টা গুলি করে। ঘটনাস্থলে মিজান নামের এক ডাকাত সদস্য গুলিবিদ্ধ হন।
ওসি নাসির উদ্দীন মৃধা বলেন, কলারোয়া পুলিশের এএসআই আনোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ও কনস্টেবল রাজিব গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। আটক হওয়া ডাকাতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। গতকাল সোমবার রাত ২টার দিকে উপজেলার ৮ নম্বর কেরেলকাতা ইউনিয়নের কোটারমোড়ে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আসাদুজ্জামান, কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দীন মৃধা, এসআই রাজিব, এএসআই আনোয়ারসহ পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।
থানা-পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে মিজান নামের গুলিবিদ্ধ এক ডাকাত সদস্যসহ ডাকাত চক্রের মোট ৬ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে দুই রাউন্ড গুলি, একটি পিস্তল ও দুটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।
গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্য যশোর সদর কোতোয়ালি থানার মোল্লাপাড়া এলাকার ভলা মিয়ার ছেলে মিজানুর রহমান (৪৭)। আটকের পর তাঁকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আটক বাকি পাঁচ ডাকাত সদস্য হলেন, ঝিকরগাছা থানার হাজের আলী এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে হুমায়ুন কবির (৩০), সাতক্ষীরা সদর মধ্য কাটিয়া গ্রামের শেখ আব্দুল হামিদের ছেলে সাইদুজ্জামান (২৮), যশোর কোতোয়ালি থানার মোল্লাপাড়া গ্রামের ফজর আলী উকিলের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৬০), শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে আবুল কালাম ও একই গ্রামের নূর মোহাম্মাদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩০)।
মীর আসাদুজ্জামান বলেন, প্রাইভেট কার নিয়ে ভোররাতে ডাকাত চক্রের সদস্যরা যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক দিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এমন তথ্য পেয়ে থানার ওসি নাসির উদ্দীন মৃধা ও তাঁর টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ামাত্রই ডাকাত সদস্যরা গুলি করতে থাকেন। এ সময় তাঁদের আটক করতে পুলিশও পাল্টা গুলি করে। ঘটনাস্থলে মিজান নামের এক ডাকাত সদস্য গুলিবিদ্ধ হন।
ওসি নাসির উদ্দীন মৃধা বলেন, কলারোয়া পুলিশের এএসআই আনোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ও কনস্টেবল রাজিব গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। আটক হওয়া ডাকাতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৬ ঘণ্টা আগে