বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোল্লাহাট থেকে হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’ এর পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৬)। এ সময় তাদের কাছ থেকে উগ্রবাদী বই, সাংগঠনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত নোট বই ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। মামলা দায়ের করে তাদের মোল্লাহাট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৬ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তারেক আনাম বান্না। গতকাল বুধবার রাতে মোল্লাহাট উপজেলা থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছে।
আটকৃতরা হলেন—পিরোজপুর জেলার মৃত কামাল গাজীর ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (২৩), গোপালগঞ্জের গাউছ মোল্লার ছেলে মো. আকাশ ওরফে আব্দুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ জাকির ফকিরের ছেলে তাজিমুদ্দিন ওরফে জসীমউদ্দীন (২১), সৈয়দ আহাদুজ্জামানের ছেলে মো. রিপন (২০) এবং মাদারীপুর জেলার মতিউর রহমানের ছেলে ইসমাইল হাসান অনিক (২০)।
র্যাব বলছে, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের তথ্য অনুযায়ী র্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৬ অভিযান চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’ এর পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে।
আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা ওই সংগঠনের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তারা আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থানে উদ্বুদ্ধ হয়ে আল কায়েদা মতাদর্শের এই জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। তারা বিভিন্ন সময় অনলাইনে তামিম আল আদনানী, হারুন ইজহার, গজনবীসহ বিভিন্ন আধ্যাত্মিক নেতার বক্তব্য দেখে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনের সদস্যদের মাধ্যমে ওই সংগঠনে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তাঁরা সংগঠনের সদস্য সংগ্রহে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।
আটককৃতদের মধ্যে তরিকুল ও তাজিমুদ্দিন গোপালগঞ্জের স্থানীয় দুটি মাদ্রাসায় ইমামতি করতেন। ইসমাইল গোপালগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ছিলেন। তিনি তরিকুলের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ সংগঠনে যোগদান করেন। তরিকুল, আব্দুল্লাহ ও তাজিমুদ্দিন ২০২১ সালে ‘আনসার আল ইসলাম’ এ যোগদান করেন। রিপন ২০২২ সালে আব্দুল্লাহর মাধ্যমে আনসার আল ইসলামের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনে যোগদান করে। আব্দুল্লাহ বাগেরহাটের একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন বলেও জানিয়েছে র্যাব।

বাগেরহাটের মোল্লাহাট থেকে হতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’ এর পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৬)। এ সময় তাদের কাছ থেকে উগ্রবাদী বই, সাংগঠনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত নোট বই ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। মামলা দায়ের করে তাদের মোল্লাহাট থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৬ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তারেক আনাম বান্না। গতকাল বুধবার রাতে মোল্লাহাট উপজেলা থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছে।
আটকৃতরা হলেন—পিরোজপুর জেলার মৃত কামাল গাজীর ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (২৩), গোপালগঞ্জের গাউছ মোল্লার ছেলে মো. আকাশ ওরফে আব্দুল্লাহ (২৩), মোহাম্মদ জাকির ফকিরের ছেলে তাজিমুদ্দিন ওরফে জসীমউদ্দীন (২১), সৈয়দ আহাদুজ্জামানের ছেলে মো. রিপন (২০) এবং মাদারীপুর জেলার মতিউর রহমানের ছেলে ইসমাইল হাসান অনিক (২০)।
র্যাব বলছে, রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের তথ্য অনুযায়ী র্যাব সদর দপ্তর গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-৬ অভিযান চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার আল ইসলাম’ এর পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে।
আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা ওই সংগঠনের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তারা আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থানে উদ্বুদ্ধ হয়ে আল কায়েদা মতাদর্শের এই জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। তারা বিভিন্ন সময় অনলাইনে তামিম আল আদনানী, হারুন ইজহার, গজনবীসহ বিভিন্ন আধ্যাত্মিক নেতার বক্তব্য দেখে উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনের সদস্যদের মাধ্যমে ওই সংগঠনে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তাঁরা সংগঠনের সদস্য সংগ্রহে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন।
আটককৃতদের মধ্যে তরিকুল ও তাজিমুদ্দিন গোপালগঞ্জের স্থানীয় দুটি মাদ্রাসায় ইমামতি করতেন। ইসমাইল গোপালগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত ছিলেন। তিনি তরিকুলের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এ সংগঠনে যোগদান করেন। তরিকুল, আব্দুল্লাহ ও তাজিমুদ্দিন ২০২১ সালে ‘আনসার আল ইসলাম’ এ যোগদান করেন। রিপন ২০২২ সালে আব্দুল্লাহর মাধ্যমে আনসার আল ইসলামের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সংগঠনে যোগদান করে। আব্দুল্লাহ বাগেরহাটের একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করতেন বলেও জানিয়েছে র্যাব।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে