খুবি প্রতিনিধি

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হলেও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। সেখানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের পদত্যাগ ঠেকাতে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তবে খুবি উপাচার্য আজ মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন।
উপাচার্য ছাড়াও পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকেরা।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনেই তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান।
রাষ্ট্রপতি বরাবর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে ২০২১ সালের ২৫ মে তিনি যোগদান করেন। ব্যক্তিগত কারণে আজ ২০-০৮-২০২৪ তারিখে ভাইস-চ্যান্সেলর পদে ইস্তফা দিয়েছেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি আমার পূর্বতন কর্মস্থল অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনে (প্রফেসর গ্রেড-১) প্রত্যাবর্তন করছি।’
পদত্যাগপত্র পাঠানোর পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমার পক্ষে আর থাকা সম্ভব না। আমাকে শান্তিতে থাকতে দাও। আমি চাই না তোমরা আর কোনো ধরনের কিছু করো। আমার সম্মানহানি হচ্ছে অনেকভাবে। আমি সম্মানহানি আর নিতে পারছি না ৷ তোমরা সবাই ভালো থাকো।’
এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে একযোগে খুবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস, ট্রেজারার অধ্যাপক অমিত রায় চৌধুরীসহ সব আবাসিক হলের প্রভোস্ট ও সহকারী প্রভোস্টরা পদত্যাগ করেন।
উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে খুবির অন্যতম সমন্বয়ক জহুরুল তানভীর বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম শুধু ভিসি স্যার থাকুক এবং দুর্নীতিবাজ, বিতর্কিত শিক্ষকদের পদত্যাগ। কিন্তু ভিসি স্যার চেয়েছেন তার পুরো টিম নিয়ে থাকতে। মনমতো টিম নিয়ে থাকা আরেকটি স্বৈরাচারী মতবাদের প্রকাশ।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১১ আগস্ট (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক (ডিএসএ) অধ্যাপক মো. শরীফ হাসান লিমন ও ডিএসএ বডির সদস্যরা একযোগে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া ১৮ আগস্ট পদত্যাগপত্র জমা দেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস, পাঁচ হলের প্রভোস্ট, ১০ সহকারী প্রাধ্যক্ষ ও নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক।
এদিকে গত রোববার উপাচার্য পদত্যাগ করতে গেলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন এবং পদত্যাগ না করার জন্য তাঁকে অনুরোধ জানান।

শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি-প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ হলেও এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। সেখানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের পদত্যাগ ঠেকাতে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তবে খুবি উপাচার্য আজ মঙ্গলবার পদত্যাগ করেছেন।
উপাচার্য ছাড়াও পদত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), ট্রেজারার, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি আবাসিক হলের প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকেরা।
মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনেই তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান।
রাষ্ট্রপতি বরাবর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে ২০২১ সালের ২৫ মে তিনি যোগদান করেন। ব্যক্তিগত কারণে আজ ২০-০৮-২০২৪ তারিখে ভাইস-চ্যান্সেলর পদে ইস্তফা দিয়েছেন। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বরাবর পদত্যাগপত্রে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি আমার পূর্বতন কর্মস্থল অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনে (প্রফেসর গ্রেড-১) প্রত্যাবর্তন করছি।’
পদত্যাগপত্র পাঠানোর পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে আমার পক্ষে আর থাকা সম্ভব না। আমাকে শান্তিতে থাকতে দাও। আমি চাই না তোমরা আর কোনো ধরনের কিছু করো। আমার সম্মানহানি হচ্ছে অনেকভাবে। আমি সম্মানহানি আর নিতে পারছি না ৷ তোমরা সবাই ভালো থাকো।’
এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে একযোগে খুবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস, ট্রেজারার অধ্যাপক অমিত রায় চৌধুরীসহ সব আবাসিক হলের প্রভোস্ট ও সহকারী প্রভোস্টরা পদত্যাগ করেন।
উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে খুবির অন্যতম সমন্বয়ক জহুরুল তানভীর বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম শুধু ভিসি স্যার থাকুক এবং দুর্নীতিবাজ, বিতর্কিত শিক্ষকদের পদত্যাগ। কিন্তু ভিসি স্যার চেয়েছেন তার পুরো টিম নিয়ে থাকতে। মনমতো টিম নিয়ে থাকা আরেকটি স্বৈরাচারী মতবাদের প্রকাশ।’
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১১ আগস্ট (রোববার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক (ডিএসএ) অধ্যাপক মো. শরীফ হাসান লিমন ও ডিএসএ বডির সদস্যরা একযোগে পদত্যাগ করেন। এ ছাড়া ১৮ আগস্ট পদত্যাগপত্র জমা দেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক খান গোলাম কুদ্দুস, পাঁচ হলের প্রভোস্ট, ১০ সহকারী প্রাধ্যক্ষ ও নিরাপত্তা তত্ত্বাবধায়ক।
এদিকে গত রোববার উপাচার্য পদত্যাগ করতে গেলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন এবং পদত্যাগ না করার জন্য তাঁকে অনুরোধ জানান।

ঢাকার ধামরাইয়ে পাঁচটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় একটি ইটভাটার চিমনি ধ্বংস করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঘুষের টাকাসহ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের (অফিস) সহকারী শাহ আলমকে (৪৮) আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালায়।
২৯ মিনিট আগে
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে সৈয়দ মুন্সি বাড়ি মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছরের এক প্রাক্তন ছাত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ওই মাদ্রাসায় আগুন ধরিয়ে দেয়।
৩৩ মিনিট আগে
সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর আন্দোলনের ডাকে আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়, সাড়ে ১২টায় মিরপুর টেকনিক্যাল মোড় ও বেলা ১টার দিকে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
১ ঘণ্টা আগে