সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

স্ত্রী হত্যার দায়ে সাতক্ষীরায় মনিরুল ইসলাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ রোববার সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ এ রায় দেন। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মনিরুল ইসলাম সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভদ্রখালি গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে। রায় দেওয়ার সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালে সাতক্ষীরা সদরের কুশখালি গ্রামের সাবিকুন্নাহার খাতুন ওরফে সাবিনার সঙ্গে কালিগঞ্জ উপজেলার ভদ্রখালি গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলামের (৪৫) সঙ্গে বিয়ে হয়। কর্মজীবনে মনিরুল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
বিয়ের পর তারা শহরের পলাশপোলের একটি বাড়ির চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের দুটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই ভোরে অফিসে না গিয়ে বড় মেয়ে অসুস্থ থাকায় তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বামী মনিরুলকে অনুরোধ করেন স্ত্রী। মনিরুল তাতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে মনিরুল স্ত্রীকে কাঠ দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে মনিরুলকে আটক করে।
এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় সাবিকুন্নাহারকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রাতেই নিহতের মা আঞ্জুয়ারা খাতুন বাদী হয়ে জামাতা মনিরুলের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা (জিআর-৫৫৬ / ১৩ সদর) দায়ের করেন।
গ্রেপ্তার মনিরুল ওই বছরের ১৬ জুলাই সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম এরশাদ আলীর কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক তপন কুমার সিংহ ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামি মনিরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তবে উচ্চতর আদালত থেকে জামিন পেয়ে মনিরুল নিহতের ছোট বোনকে বিয়ে করে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।
মামলার নথি, আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে আসামি মনিরুলের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেন।
এ সময় আসামি মনিরুল নিহত প্রথম স্ত্রীর ছোট বোনকে বিয়ে করার পরে তার গর্ভে একটি সন্তান থাকায় বাদী ও আসামিপক্ষের উপস্থিত সবাই রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ (২) বলেন, ‘আদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় দেখার পর, তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।’ রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ও অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট তপন কুমার দাস।

স্ত্রী হত্যার দায়ে সাতক্ষীরায় মনিরুল ইসলাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। আজ রোববার সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ এ রায় দেন। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মনিরুল ইসলাম সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভদ্রখালি গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে। রায় দেওয়ার সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৯ সালে সাতক্ষীরা সদরের কুশখালি গ্রামের সাবিকুন্নাহার খাতুন ওরফে সাবিনার সঙ্গে কালিগঞ্জ উপজেলার ভদ্রখালি গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলামের (৪৫) সঙ্গে বিয়ে হয়। কর্মজীবনে মনিরুল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।
বিয়ের পর তারা শহরের পলাশপোলের একটি বাড়ির চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকতেন। তাদের দুটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই ভোরে অফিসে না গিয়ে বড় মেয়ে অসুস্থ থাকায় তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য স্বামী মনিরুলকে অনুরোধ করেন স্ত্রী। মনিরুল তাতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে মনিরুল স্ত্রীকে কাঠ দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ঘরের দরজা ভেঙে মনিরুলকে আটক করে।
এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় সাবিকুন্নাহারকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রাতেই নিহতের মা আঞ্জুয়ারা খাতুন বাদী হয়ে জামাতা মনিরুলের নাম উল্লেখ করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা (জিআর-৫৫৬ / ১৩ সদর) দায়ের করেন।
গ্রেপ্তার মনিরুল ওই বছরের ১৬ জুলাই সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম এরশাদ আলীর কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক তপন কুমার সিংহ ২০১৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামি মনিরুল ইসলামের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তবে উচ্চতর আদালত থেকে জামিন পেয়ে মনিরুল নিহতের ছোট বোনকে বিয়ে করে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন।
মামলার নথি, আটজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে আসামি মনিরুলের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মো. মাসুম বিল্লাহ তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেন।
এ সময় আসামি মনিরুল নিহত প্রথম স্ত্রীর ছোট বোনকে বিয়ে করার পরে তার গর্ভে একটি সন্তান থাকায় বাদী ও আসামিপক্ষের উপস্থিত সবাই রায় শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল মজিদ (২) বলেন, ‘আদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় দেখার পর, তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।’ রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ও অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট তপন কুমার দাস।

নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মিজানুর গাজী (৫০) নামে এক কৃষিশ্রমিক নিহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ৭টার দিকে সদর উপজেলার নড়াইল-লোহাগড়া সড়কের হাওয়াইখালী সেতুর সন্নিকটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মিজানুর গাজী যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত ফেলু গাজীর ছেলে।
২ মিনিট আগে
২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রায়েরবাজার কবরস্থানে অজ্ঞাত পরিচয়ে দাফন করা ১১৪ জনের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করে তাঁদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা জুলাই আন্দোলনে শহীদরা হলেন...
৮ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রাহেল হোসেন বিএনপিতে যোগদান করেছেন। সম্প্রতি মৌলভীবাজার-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম নাসের রহমান রাহেল হোসেনের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে তাঁকে বিএনপিতে বরণ করে নেন।
১৪ মিনিট আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে আজ সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনাসহ উত্তরের জেলাগুলো। রাত থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত প্রচণ্ড কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে চারদিক। ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া...
১ ঘণ্টা আগে