চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় নিজের বোনকে রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তাঁর ভাই। আজ সোমবার তিনি হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বোনের পরকীয়া সম্পর্কের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ।
নিহতের নাম—মিম আক্তার মঞ্জুরা (৩২)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম—আলমগীর কবীর (৩০)। তাঁরা দর্শনার মোহাম্মদপুরের মৃত আরমান আলীর ছেলে-মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দীন আল আজাদ আসামি আলমগীরের বরাতে বলেন, ‘আপন খালাতো বোনের স্বামীর সঙ্গে নিজের বোনের পরকীয়া সম্পর্ক জেনে আলমগীর। সেই সম্পর্ক থেকে বোনকে সরে আসার জন্য বারবার সতর্কও করেন তিনি। কিন্তু মঞ্জুরা ভাইয়ের কথা না শুনে সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন। এ কারণে ক্ষুব্ধ ছিলেন আলমগীর।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিকল্পনামতো গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনকে কৌশলে বাড়ির পাশের আমবাগানে ডেকে নিয়ে যান আলমগীর। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বোনের ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বেগুন খেতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে দা দিয়ে বোনের গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন আলমগীর। হত্যার পর ঘটনা অন্যদিক প্রবাহিত করার জন্য আসামি আলমগীর ধারালো দা দিয়ে নিজের মাথায় নিজেই তিনটি পোচ দেন এবং আমগাছে থাকা রশি নিয়ে নিজেই নিজের হাত-পা বেঁধে চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করলে অপহরণের নাটক সাজিয়ে বিভ্রান্ত করেন আলমগীর। এ সময় তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।’
পুলিশ কর্মকর্তা নাজিম উদ্দীন আল আজাদ বলেন, মূলত তার সাবেক স্ত্রীর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বিবাদ থাকায় বোনকে হত্যার দায় ওই পরিবারকে দিতে চেয়েছিলেন আসামি আলমগীর। এ ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে আলমগীরকে আসামি করে দর্শনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তার বোনের স্বামী সুরুজ মিয়া।’
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন—সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা ও ডিবি পুলিশের ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার সকালে দর্শনার মোহাম্মদপুরে বাড়ির পাশের একটি বেগুন খেত থেকে মিম আক্তার মঞ্জুরার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় নিজের বোনকে রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন তাঁর ভাই। আজ সোমবার তিনি হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বোনের পরকীয়া সম্পর্কের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ।
নিহতের নাম—মিম আক্তার মঞ্জুরা (৩২)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম—আলমগীর কবীর (৩০)। তাঁরা দর্শনার মোহাম্মদপুরের মৃত আরমান আলীর ছেলে-মেয়ে।
সংবাদ সম্মেলনে চুয়াডাঙ্গা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দীন আল আজাদ আসামি আলমগীরের বরাতে বলেন, ‘আপন খালাতো বোনের স্বামীর সঙ্গে নিজের বোনের পরকীয়া সম্পর্ক জেনে আলমগীর। সেই সম্পর্ক থেকে বোনকে সরে আসার জন্য বারবার সতর্কও করেন তিনি। কিন্তু মঞ্জুরা ভাইয়ের কথা না শুনে সম্পর্কে লিপ্ত থাকেন। এ কারণে ক্ষুব্ধ ছিলেন আলমগীর।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিকল্পনামতো গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বোনকে কৌশলে বাড়ির পাশের আমবাগানে ডেকে নিয়ে যান আলমগীর। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বোনের ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বেগুন খেতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে দা দিয়ে বোনের গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন আলমগীর। হত্যার পর ঘটনা অন্যদিক প্রবাহিত করার জন্য আসামি আলমগীর ধারালো দা দিয়ে নিজের মাথায় নিজেই তিনটি পোচ দেন এবং আমগাছে থাকা রশি নিয়ে নিজেই নিজের হাত-পা বেঁধে চিৎকার করতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করলে অপহরণের নাটক সাজিয়ে বিভ্রান্ত করেন আলমগীর। এ সময় তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।’
পুলিশ কর্মকর্তা নাজিম উদ্দীন আল আজাদ বলেন, মূলত তার সাবেক স্ত্রীর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে বিবাদ থাকায় বোনকে হত্যার দায় ওই পরিবারকে দিতে চেয়েছিলেন আসামি আলমগীর। এ ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। সোমবার সকালে আলমগীরকে আসামি করে দর্শনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তার বোনের স্বামী সুরুজ মিয়া।’
সংবাদ সম্মেলন উপস্থিত ছিলেন—সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানা ও ডিবি পুলিশের ইনচার্জ ফেরদৌস ওয়াহিদ।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার সকালে দর্শনার মোহাম্মদপুরে বাড়ির পাশের একটি বেগুন খেত থেকে মিম আক্তার মঞ্জুরার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১২ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে