খুলনা প্রতিনিধি

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পর আজ বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছাড়তে শুরু করেছেন। তবে দুপুর পর্যন্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অনেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আদেশ অমান্য করে কোনো শিক্ষার্থী হলে থাকলে তাঁর দায়দায়িত্ব কর্তৃপক্ষ নেবে না।
এ ছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেককে ব্যাগ নিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তে দেখা যায়।
সকালে হল ছেড়ে যাওয়ার সময় রাতুল নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল বাড়ি চলে যাচ্ছি। অনেক শিক্ষার্থী হল থেকে বের হয়ে গেছেন। বাকিরাও হয়তো নির্ধারিত সময়ের আগে হল ত্যাগ করবেন।’
জানতে চাইলে কুয়েটের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহেদুজ্জামান শেখ বলেন, ‘আশা করছি, শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ (হল ছাড়ার) মানবেন।’
কুয়েটের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ বেলা ২টার দিকে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি দিয়েছি। আবাসিক হলে কোনো রান্না হবে না। ক্যাম্পাসের আশপাশের হোটেলও বন্ধ থাকছে। ফলে কোনো শিক্ষার্থী যদি হলে থাকতে চান, তাহলে তাঁরা নিজ দায়িত্বে থাকবেন। এখানে আমাদের কোনো দায়দায়িত্ব নেই।’
খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি-নর্থ) মো. নাজমুল হাসান রাজীব বলেন, কুয়েট ক্যাম্পাসের গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে তিনি জানান।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার উপাচার্যের বাসভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম (জরুরি) সিন্ডিকেট সভা থেকে সার্বিক নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আজ বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনির্দিষ্টকালের জন্য কুয়েটের আবাসিক হল ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের জন্য কেএমপি কমিশনারকে কুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশের পর রাত ৯টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বার বাংলার পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে আবাসিক হলসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘোরে। মিছিল থেকে ছাত্ররা ‘হল ভ্যাকেন্ট, হল ভ্যাকেন্ট, মানি না মানব না’, ‘হল ভ্যাকেন্টের সিদ্ধান্ত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘অবৈধ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত, মানি না মানব না’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় হল ভ্যাকেন্ট করে কুয়েটের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদ বিলোপের ছয় মাস পরও কুয়েট প্রশাসন সেই আগের পথেই হাঁটছে। আমরা কোনোভাবেই হল ছাড়ব না। হল ছাড়তে হলে পুলিশ-আর্মি দিয়ে আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে হল ছাড়াতে হবে।’
১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদলের লিফলেট বিতরণকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং ছাত্রদলের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা প্রথমে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধসহ পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। পরে উপাচার্যের পদত্যাগসহ ছয় দফার আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছিল।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পর আজ বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ছাড়তে শুরু করেছেন। তবে দুপুর পর্যন্ত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অনেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, আদেশ অমান্য করে কোনো শিক্ষার্থী হলে থাকলে তাঁর দায়দায়িত্ব কর্তৃপক্ষ নেবে না।
এ ছাড়া অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনেককে ব্যাগ নিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তে দেখা যায়।
সকালে হল ছেড়ে যাওয়ার সময় রাতুল নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল বাড়ি চলে যাচ্ছি। অনেক শিক্ষার্থী হল থেকে বের হয়ে গেছেন। বাকিরাও হয়তো নির্ধারিত সময়ের আগে হল ত্যাগ করবেন।’
জানতে চাইলে কুয়েটের জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) শাহেদুজ্জামান শেখ বলেন, ‘আশা করছি, শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের নির্দেশ (হল ছাড়ার) মানবেন।’
কুয়েটের উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ বেলা ২টার দিকে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি দিয়েছি। আবাসিক হলে কোনো রান্না হবে না। ক্যাম্পাসের আশপাশের হোটেলও বন্ধ থাকছে। ফলে কোনো শিক্ষার্থী যদি হলে থাকতে চান, তাহলে তাঁরা নিজ দায়িত্বে থাকবেন। এখানে আমাদের কোনো দায়দায়িত্ব নেই।’
খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি-নর্থ) মো. নাজমুল হাসান রাজীব বলেন, কুয়েট ক্যাম্পাসের গেটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে বলে তিনি জানান।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার উপাচার্যের বাসভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৯তম (জরুরি) সিন্ডিকেট সভা থেকে সার্বিক নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে আজ বুধবার সকাল ১০টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনির্দিষ্টকালের জন্য কুয়েটের আবাসিক হল ও শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তায় পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের জন্য কেএমপি কমিশনারকে কুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশের পর রাত ৯টার দিকে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ হল ছাড়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বার বাংলার পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে আবাসিক হলসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘোরে। মিছিল থেকে ছাত্ররা ‘হল ভ্যাকেন্ট, হল ভ্যাকেন্ট, মানি না মানব না’, ‘হল ভ্যাকেন্টের সিদ্ধান্ত কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘অবৈধ সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত, মানি না মানব না’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী কায়দায় হল ভ্যাকেন্ট করে কুয়েটের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্যাসিবাদ বিলোপের ছয় মাস পরও কুয়েট প্রশাসন সেই আগের পথেই হাঁটছে। আমরা কোনোভাবেই হল ছাড়ব না। হল ছাড়তে হলে পুলিশ-আর্মি দিয়ে আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে হল ছাড়াতে হবে।’
১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে ছাত্রদলের লিফলেট বিতরণকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং ছাত্রদলের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা প্রথমে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধসহ পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করেন। পরে উপাচার্যের পদত্যাগসহ ছয় দফার আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছিল।

ভারত থেকে কারাভোগ শেষে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধীন চাড়ালডাংগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর-সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
৭ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে