ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাসে দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রক্টর বরাবর পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে উভয় পক্ষ। পরে এ ঘটনায় তিন সদস্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭-১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকাজ সমাপ্ত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল বারীকে সদস্যসচিব করে গঠিত কমিটির অপর সদস্য হচ্ছেন আল ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. হামিদা খাতুন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা ও মার্কেটিং বিভাগের চারজন শিক্ষার্থীর লিখিত আবেদন এবং ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে বাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আশিক ইকবাল সাদ ও আনিকা আশরাফির ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিশ্ববিদ্যালয় সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী ও মার্কেটিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের মোরসালিন মুন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রক্টর বরাবর পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে উভয় পক্ষ।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেন অর্থনীতি বিভাগের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে ফটক ছাড়েন আন্দোলনকারীরা।
হামলার ঘটনায় আশিক ইকবাল সাদ ও আনিকা আশরাফির দেওয়া পৃথক অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার বিকেলে বাসে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের মোরসালিন মুন এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে। সে সময় তাঁর বান্ধবী আনিকা আশরাফি বাধা দিতে আসলে তাঁর হাতে অস্ত্র চালানো হয়। এ ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান আশিক ইকবাল সাদ। তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির মাস্ক খুলে নিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস থেকে নেমে পালিয়ে যায়। বাসের হামলার আগে তাঁকে ফলো করেছিলেন ঘটনার মূল হোতা সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী।
আনিকা আশরাফ বলেন, ‘আমার ওপর হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছি প্রশাসনের কাছে। তাঁদের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি করছি।’
অভিযোগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিশ্ববিদ্যালয় সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘প্রক্টর অফিসে আমার সম্পর্কে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।’ এ ঘটনায় প্রক্টর বরাবর গোলাম রব্বানী ও মোরসালিন মুন পাল্টা অভিযোগ দিয়েছেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাসে দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রক্টর বরাবর পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে উভয় পক্ষ। পরে এ ঘটনায় তিন সদস্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭-১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকাজ সমাপ্ত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল বারীকে সদস্যসচিব করে গঠিত কমিটির অপর সদস্য হচ্ছেন আল ফিকহ্ অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. হামিদা খাতুন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার অর্থনীতি, ব্যবস্থাপনা ও মার্কেটিং বিভাগের চারজন শিক্ষার্থীর লিখিত আবেদন এবং ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে সংঘটিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার বিকেল ৪টার দিকে বাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আশিক ইকবাল সাদ ও আনিকা আশরাফির ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিশ্ববিদ্যালয় সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী ও মার্কেটিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের মোরসালিন মুন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রক্টর বরাবর পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে উভয় পক্ষ।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেন অর্থনীতি বিভাগের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে ফটক ছাড়েন আন্দোলনকারীরা।
হামলার ঘটনায় আশিক ইকবাল সাদ ও আনিকা আশরাফির দেওয়া পৃথক অভিযোগে বলা হয়, গত সোমবার বিকেলে বাসে মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের মোরসালিন মুন এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করে। সে সময় তাঁর বান্ধবী আনিকা আশরাফি বাধা দিতে আসলে তাঁর হাতে অস্ত্র চালানো হয়। এ ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান আশিক ইকবাল সাদ। তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির মাস্ক খুলে নিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস থেকে নেমে পালিয়ে যায়। বাসের হামলার আগে তাঁকে ফলো করেছিলেন ঘটনার মূল হোতা সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী।
আনিকা আশরাফ বলেন, ‘আমার ওপর হামলার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছি প্রশাসনের কাছে। তাঁদের স্থায়ী বহিষ্কার দাবি করছি।’
অভিযোগের বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিশ্ববিদ্যালয় সহ-সমন্বয়ক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘প্রক্টর অফিসে আমার সম্পর্কে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।’ এ ঘটনায় প্রক্টর বরাবর গোলাম রব্বানী ও মোরসালিন মুন পাল্টা অভিযোগ দিয়েছেন।

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১১ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে