খুলনা প্রতিনিধি

খুলনায় বিষাক্ত মদ্যপানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ একজনকে আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে লাইভ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বয়রা পূজাখোলা ইসলামিয়া কলেজ মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। মৃত ব্যক্তিদের মরদেহ পরিবারের সদস্যরা নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, তারা দুপুর থেকেই স্থানীয় তোতা মিয়ার হোটেলে বসে মদ পান করে। হাতে বানানো মদ খেয়ে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন নগরীর সোনাডাঙ্গা বয়রা সেরের মোড় এলাকার বাবু (৫০), খালিশপুর বয়রা জংশন রোডের সাবু (৬০), একই এলাকার গৌতম কুমার বিশ্বাস (৪৭), সাজ্জাদ মল্লিক এবং খালিশপুর বয়রা পাবলিক কলেজের পেছনের তোতা (৬০)।
এ ছাড়া বিষাক্ত মদ্যপানে গুরুতর অসুস্থ বয়রা দাসপাড়া এলাকার সনু (৫৮) আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে মদ খাওয়ার সময় উপস্থিত থাকলেও সোনাডাঙ্গা রায়ের মহল মেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকার আজিবর (৫৯) মদ খাননি। তার মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছে বলে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার কর্মকর্তা আব্দুল হাই জানান। অবশ্য বিকাল থেকে তিনি মদ সেবনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে।
আব্দুল হাই বলেন, ‘মৃত্যুর খবর পেয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দুজনের লাশ পাই। অন্যদের পরিবার যে যার মতো লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে। বিষাক্ত মদ্যপানে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।’ তাঁদের কাছ থেকে ওই বিষাক্ত মদ সংগ্রহ করে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

খুলনায় বিষাক্ত মদ্যপানে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ একজনকে আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে লাইভ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। আজ শনিবার নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার বয়রা পূজাখোলা ইসলামিয়া কলেজ মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। মৃত ব্যক্তিদের মরদেহ পরিবারের সদস্যরা নিজ নিজ বাড়িতে নিয়ে গেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, তারা দুপুর থেকেই স্থানীয় তোতা মিয়ার হোটেলে বসে মদ পান করে। হাতে বানানো মদ খেয়ে ওই ব্যক্তিদের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন নগরীর সোনাডাঙ্গা বয়রা সেরের মোড় এলাকার বাবু (৫০), খালিশপুর বয়রা জংশন রোডের সাবু (৬০), একই এলাকার গৌতম কুমার বিশ্বাস (৪৭), সাজ্জাদ মল্লিক এবং খালিশপুর বয়রা পাবলিক কলেজের পেছনের তোতা (৬০)।
এ ছাড়া বিষাক্ত মদ্যপানে গুরুতর অসুস্থ বয়রা দাসপাড়া এলাকার সনু (৫৮) আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে মদ খাওয়ার সময় উপস্থিত থাকলেও সোনাডাঙ্গা রায়ের মহল মেলার মাঠ সংলগ্ন এলাকার আজিবর (৫৯) মদ খাননি। তার মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছে বলে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার কর্মকর্তা আব্দুল হাই জানান। অবশ্য বিকাল থেকে তিনি মদ সেবনে তার মৃত্যু হয়েছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে।
আব্দুল হাই বলেন, ‘মৃত্যুর খবর পেয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দুজনের লাশ পাই। অন্যদের পরিবার যে যার মতো লাশ বাড়িতে নিয়ে গেছে। বিষাক্ত মদ্যপানে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে।’ তাঁদের কাছ থেকে ওই বিষাক্ত মদ সংগ্রহ করে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৩৫ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৩৭ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে