নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের শড়াতলা গ্রামে গৃহবধূ আছিয়া বেগমকে (২২) গলাকেটে ও পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী মো. রনি শেখ (২৬) এবং তাঁর বন্ধু মেহেদী হাসান হৃদয় ওরফে আব্বাস ফকিরকে (২৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আলমাচ হোসেন মৃধা এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে, মামলার অপর একটি ধারায় (২০১ ধারা) দুজনকেই সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আসামির স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রনি শেখ শড়াতলা গ্রামের লিটন শেখ লিটুর ছেলে এবং আব্বাস একই গ্রামের মো. জামির হোসেন ওরফে জামির ফকিরের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পরকীয়ার জের ধরে ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর সকালে নড়াইল সদর উপজেলায় শড়াতলা গ্রামে গৃহবধূ আছিয়া বেগমকে তাঁর স্বামী প্রথমে গলাকেটে হত্যা করে। পরে ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে স্বামীসহ তাঁর সহযোগী আব্বাস পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। রনি শেখ চার বছর আগে একই গ্রামের আছিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর আছিয়ার ছেলে সন্তান হয়। বিয়ের পর আছিয়ার বাবা জামাই-মেয়েকে নয় শতক জমি কিনে বাড়িও করে দেন। রনি একটি মোবাইল ফোন কোম্পানিতে মাঠ পর্যায়ে চাকরি করতেন। সন্তানের ৬ মাস বয়সের সময় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী আছিয়াকে তালাক দেন স্বামী রনি শেখ। তালাকের তিন মাস পর স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসার পর আছিয়াকে পুনরায় বিয়ে করেন রনি।
আসামি রনি মোবাইল কোম্পানির সিম বিক্রির সুবাদে লোহাগড়া উপজেলার গন্ডব গ্রামের এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরকীয়ার জেরে স্বামী রনির সঙ্গে স্ত্রীর প্রায় ঝগড়া ও পারিবারিক কলহ হতো। বিষয়টি নিয়ে রনি তাঁর বাল্যবন্ধু আব্বাসের সঙ্গে পরামর্শ করে দুজনে মিলে আছিয়াকে প্রথমে গলাকেটে হত্যা করে এবং পরে পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।
নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এমদাদুল ইসলাম ইমদাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায়ে বাদীপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রায় রত কার্যকরের দাবি করেছেন।

নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের শড়াতলা গ্রামে গৃহবধূ আছিয়া বেগমকে (২২) গলাকেটে ও পুড়িয়ে হত্যার দায়ে স্বামী মো. রনি শেখ (২৬) এবং তাঁর বন্ধু মেহেদী হাসান হৃদয় ওরফে আব্বাস ফকিরকে (২৪) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আলমাচ হোসেন মৃধা এ রায় ঘোষণা করেন। এ ছাড়া দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে, মামলার অপর একটি ধারায় (২০১ ধারা) দুজনকেই সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আসামির স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রনি শেখ শড়াতলা গ্রামের লিটন শেখ লিটুর ছেলে এবং আব্বাস একই গ্রামের মো. জামির হোসেন ওরফে জামির ফকিরের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পরকীয়ার জের ধরে ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর সকালে নড়াইল সদর উপজেলায় শড়াতলা গ্রামে গৃহবধূ আছিয়া বেগমকে তাঁর স্বামী প্রথমে গলাকেটে হত্যা করে। পরে ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে স্বামীসহ তাঁর সহযোগী আব্বাস পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। রনি শেখ চার বছর আগে একই গ্রামের আছিয়া বেগমকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর আছিয়ার ছেলে সন্তান হয়। বিয়ের পর আছিয়ার বাবা জামাই-মেয়েকে নয় শতক জমি কিনে বাড়িও করে দেন। রনি একটি মোবাইল ফোন কোম্পানিতে মাঠ পর্যায়ে চাকরি করতেন। সন্তানের ৬ মাস বয়সের সময় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী আছিয়াকে তালাক দেন স্বামী রনি শেখ। তালাকের তিন মাস পর স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসার পর আছিয়াকে পুনরায় বিয়ে করেন রনি।
আসামি রনি মোবাইল কোম্পানির সিম বিক্রির সুবাদে লোহাগড়া উপজেলার গন্ডব গ্রামের এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। পরকীয়ার জেরে স্বামী রনির সঙ্গে স্ত্রীর প্রায় ঝগড়া ও পারিবারিক কলহ হতো। বিষয়টি নিয়ে রনি তাঁর বাল্যবন্ধু আব্বাসের সঙ্গে পরামর্শ করে দুজনে মিলে আছিয়াকে প্রথমে গলাকেটে হত্যা করে এবং পরে পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।
নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এমদাদুল ইসলাম ইমদাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায়ে বাদীপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে রায় রত কার্যকরের দাবি করেছেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
৩১ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
৩৬ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে