
সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজননকেন্দ্রে বিলুপ্তপ্রায় বাটাগুর বাসকার (কচ্ছপ) ডিম ফুটে ৬৫টি বাচ্চা জন্ম নিয়েছে। আজ সোমবার ভোরে বাচ্চাগুলোকে বিশেষ ইনকিউবেটর থেকে তুলে কচ্ছপ লালনপালনকেন্দ্রের সংরক্ষণ প্যানে রাখা হয়।
এর আগে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনটি বাটাগুর বাসকা মোট ৮২টি ডিম দেয়। পরে সেগুলো সংগ্রহ করে বিশেষ ইনকিউবেটরে (পুকুরপাড়ের বালুর চর) রাখা হয়। গতকাল রোববার থেকে বাচ্চাগুলো ফুটে বের হতে শুরু করে। সব মিলিয়ে আজ সকাল পর্যন্ত ৬৫টি বাচ্চা হয়। অবশিষ্ট ডিমগুলে নষ্ট হয়েছে। এ পর্যন্ত সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজননকেন্দ্রে ৫২১টি ডিম থেকে ৪৭৫টি বাচ্চা ফুটেছে বলে জানান সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের করমজল বন্য প্রাণী ও প্রজননকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির।

আজাদ কবির বলেন, ৬৫টি বাচ্চা কচ্ছপ লালনপালনকেন্দ্রের সংরক্ষণ প্যানে রাখা হয়েছে। বড় হলে এগুলো সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হবে।
বন্য প্রাণী প্রজননকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পৃথিবীতে প্রায় ৩০০ প্রজাতির কচ্ছপ রয়েছে। একসময় এই অঞ্চলে প্রায় ২৬ প্রজাতির কচ্ছপ পাওয়া যেত। এর মধ্যে বাটাগুর বাসকার প্রজাতির কচ্ছপ আর দেখা যাচ্ছিল না। ২০০০ সালের দিকে বন্য প্রাণী গবেষকেরা মনে করেছিলেন, পৃথিবীতে আর বাটাগুর বাসকার কোনো অস্তিত্ত্ব নেই। পরে ২০০৮ সালে গবেষকেরা খুঁজতে খুঁজতে নোয়াখালী ও বরিশালের বিভিন্ন জলাশয়ে আটটি বাটাগুর বাসকা পান, যার মধ্যে চারটি পুরুষ ও চারটি স্ত্রী। প্রজননের জন্য গাজীপুরে নিয়ে যাওয়া হয় কচ্ছপগুলোকে। সেখানে কয়েক বছরে প্রায় ৯৪টি বাচ্চা ফুটেছিল। ২০১৪ সালে মূল আটটি বাটাগুর বাসকা ও তাদের জন্ম দেওয়া ৯৪টি ছানাসহ করমজল কৃত্রিম প্রজননকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।

সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে শ্যামনগর উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়...
৬ মিনিট আগে
বরিশালের মুলাদীতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে আত্মীয়ের বাড়ি আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক আ. রব মুন্সি (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ। ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মুলাদী থানায় মামলা দায়েরের পর গত সোমবার সন্ধ্যায় অভিযান...
১১ মিনিট আগে
বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী বিবি মরিয়ম শান্তা বলেন, ‘শিক্ষকের অভাবে ঠিকমতো ক্লাস হয় না। বিদ্যালয়ে কোনো টিউবওয়েল নেই। তাই বিশুদ্ধ পানি সংগ্রহ করতে পাশের বাড়িতে যেতে হয়। বাংলার শিক্ষক থাকলেও গণিত ও ইংরেজির শিক্ষক নেই। শিক্ষক না থাকলে কীভাবে পড়ালেখা হবে? আমি নবম শ্রেণিতে পড়ি।
৪২ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে রেললাইনে ঘুমিয়ে থাকা দুই যুবক ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার মহেশপুর রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে...
১ ঘণ্টা আগে