গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. আসমা তারার বিরুদ্ধে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরাদ্দ পাওয়া ভিজিএফ চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে একাধিক ইউপি সদস্য ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ৪ জুন চাল বিতরণের কথা থাকলেও সাহারবাটী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শতাধিক কার্ডধারী দরিদ্র পরিবার চাল পায়নি। বরাদ্দ করা চাল যথাযথভাবে বিতরণ না করে প্যানেল চেয়ারম্যান তা ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি অভিযোগকারীদের।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও মোছা. আসমা তারার বিরুদ্ধে ভিজিএফ বিতরণে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ছিল। সেসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় একই অপরাধ বারবার ঘটছে।
জানতে চাইলে ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে ৩০০টি ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ২০০ জনই চাল পাননি। প্রতিবাদ করলে হুমকি দেওয়া হয়।’ তিনি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় দুর্লভপুর গ্রামের রতন আলী বলেন, ‘মহিবুল মেম্বারের কাছ থেকে ৬০ জনের কার্ড পেয়েছিলাম। কিন্তু চাল পেয়েছেন মাত্র ১০-১২ জন।’ ভ্রমরদাহ গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার নামে একটি কার্ড ছিল, কিন্তু ১০ কেজির বদলে মাত্র ৭ কেজি চাল পেয়েছি। অনেকে কিছুই পায়নি।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. আসমা তারা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ৩ হাজার ৬৩৫ জনের জন্য বরাদ্দ চাল যথানিয়মে বিতরণ করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে ইউএনও আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সত্যতা মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সাহারবাটী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. আসমা তারার বিরুদ্ধে ঈদুল আজহা উপলক্ষে বরাদ্দ পাওয়া ভিজিএফ চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে একাধিক ইউপি সদস্য ও ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ৪ জুন চাল বিতরণের কথা থাকলেও সাহারবাটী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শতাধিক কার্ডধারী দরিদ্র পরিবার চাল পায়নি। বরাদ্দ করা চাল যথাযথভাবে বিতরণ না করে প্যানেল চেয়ারম্যান তা ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছেন বলে দাবি অভিযোগকারীদের।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও মোছা. আসমা তারার বিরুদ্ধে ভিজিএফ বিতরণে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ছিল। সেসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় একই অপরাধ বারবার ঘটছে।
জানতে চাইলে ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মহিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে ৩০০টি ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ২০০ জনই চাল পাননি। প্রতিবাদ করলে হুমকি দেওয়া হয়।’ তিনি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় দুর্লভপুর গ্রামের রতন আলী বলেন, ‘মহিবুল মেম্বারের কাছ থেকে ৬০ জনের কার্ড পেয়েছিলাম। কিন্তু চাল পেয়েছেন মাত্র ১০-১২ জন।’ ভ্রমরদাহ গ্রামের আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমার নামে একটি কার্ড ছিল, কিন্তু ১০ কেজির বদলে মাত্র ৭ কেজি চাল পেয়েছি। অনেকে কিছুই পায়নি।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান মোছা. আসমা তারা বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ৩ হাজার ৬৩৫ জনের জন্য বরাদ্দ চাল যথানিয়মে বিতরণ করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে ইউএনও আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সত্যতা মিললে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
৫ ঘণ্টা আগে