মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৯ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী নির্বাচনী এলাকার প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ যদি না পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই হিসাবে মহম্মদপুরে ৯ জন প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬২৯। প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হার ৫৩ দশমিক ২৮। এই অনুযায়ী জামানত বাঁচাতে প্রতি প্রার্থীকে ১৪ হাজার ৪৯৪ দশমিক ৩৫ ভোট পেতে হবে।
ভোটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মহম্মদপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন জামানত হারাচ্ছেন। তাঁরা হলেন আনিসুল ইসলাম হান্নান (৭ হাজার ৫৬৫ ভোট), উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছা. বেবী নাজনীন (৫ হাজার ৯৩৯ ভোট), যুবলীগ নেতা কাজী আনিসুর রহমান তৈমূর (৮৭৭ ভোট) বর্তমান চেয়ারম্যান আবু আব্দুল্লাহেল কাফী (৭২৪ ভোট) ও দীঘা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর সাদিক (২৮৯ ভোট)।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুজন জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন মুজিবর রহমান (৩ হাজার ৩১২ ভোট) ও সাংবাদিক আশরাফুল আলম সাগর (২ হাজার ৪১৩ ভোট)। এ ছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ভোট পড়ে ৯৬ হাজার ৪৫৫টি। এতে উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুনমুন খান ৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে এবং শিল্পী সামাদ ৫ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিলন আলী বলেন, ‘মোট ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট পেলে প্রার্থী তাঁর জামানত ফেরত পাবেন। এ হিসাবে ৯ জন প্রার্থী কাঙ্ক্ষিত ভোট না পাওয়ায় জামানত ফেরত পাবেন না।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় বর্তমান চেয়ারম্যানসহ ৯ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী নির্বাচনী এলাকার প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ যদি না পান, তাহলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এই হিসাবে মহম্মদপুরে ৯ জন প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন।
উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৯৬ হাজার ৬২৯। প্রাপ্ত ভোটের শতকরা হার ৫৩ দশমিক ২৮। এই অনুযায়ী জামানত বাঁচাতে প্রতি প্রার্থীকে ১৪ হাজার ৪৯৪ দশমিক ৩৫ ভোট পেতে হবে।
ভোটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মহম্মদপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সাত প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজন জামানত হারাচ্ছেন। তাঁরা হলেন আনিসুল ইসলাম হান্নান (৭ হাজার ৫৬৫ ভোট), উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মোছা. বেবী নাজনীন (৫ হাজার ৯৩৯ ভোট), যুবলীগ নেতা কাজী আনিসুর রহমান তৈমূর (৮৭৭ ভোট) বর্তমান চেয়ারম্যান আবু আব্দুল্লাহেল কাফী (৭২৪ ভোট) ও দীঘা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর সাদিক (২৮৯ ভোট)।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে দুজন জামানত হারিয়েছেন। তাঁরা হলেন মুজিবর রহমান (৩ হাজার ৩১২ ভোট) ও সাংবাদিক আশরাফুল আলম সাগর (২ হাজার ৪১৩ ভোট)। এ ছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ভোট পড়ে ৯৬ হাজার ৪৫৫টি। এতে উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুনমুন খান ৯ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে এবং শিল্পী সামাদ ৫ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে জামানত হারাচ্ছেন।
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিলন আলী বলেন, ‘মোট ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট পেলে প্রার্থী তাঁর জামানত ফেরত পাবেন। এ হিসাবে ৯ জন প্রার্থী কাঙ্ক্ষিত ভোট না পাওয়ায় জামানত ফেরত পাবেন না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে