পানছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রামের ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসু শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
‘চিনি হুকুমু, চিনি সিনিমুং’ অর্থাৎ ‘আমাদের সংস্কৃতি আমাদের পরিচয়’ এই স্লোগানে হচ্ছে এবারের বৈসু উৎসব।
বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সভাপতি সুশীল জীবন ত্রিপুরার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তারপর বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদ ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরামের যৌথ উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের গড়িয়া নৃত্য, বৈসু নৃত্যসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বর হয়ে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, ত্রিপুরাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকে বৈসু র্যালির মধ্য দিয়ে অন্যান্য জাতি-গোষ্ঠীর ও সংস্কৃতির যাঁরা আছেন তাদের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি হবে। সব সংস্কৃতির মধ্য দিয়েই ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করতে চাই।
ঐতিহ্যবাহী বৈসু উৎসব উপলক্ষে হাজার ত্রিপুরা নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীরা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক রিনাই-রিসা, পুরুষেরা ধুতি-কুটি ও রিসা পরিধান করে র্যালিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী, পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয়, শতরুপা চাকমা, কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক স্নেহাশীষ ত্রিপুরাসহ ত্রিপুরা সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব বৈসু শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ১০টায় খাগড়াছড়ি পৌর টাউন হল প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
‘চিনি হুকুমু, চিনি সিনিমুং’ অর্থাৎ ‘আমাদের সংস্কৃতি আমাদের পরিচয়’ এই স্লোগানে হচ্ছে এবারের বৈসু উৎসব।
বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সভাপতি সুশীল জীবন ত্রিপুরার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তারপর বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, বাংলাদেশ ত্রিপুরা যুব কল্যাণ সংসদ ও ত্রিপুরা স্টুডেন্টস ফোরামের যৌথ উদ্যোগে খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের গড়িয়া নৃত্য, বৈসু নৃত্যসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বর হয়ে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, ত্রিপুরাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আজকে বৈসু র্যালির মধ্য দিয়ে অন্যান্য জাতি-গোষ্ঠীর ও সংস্কৃতির যাঁরা আছেন তাদের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি হবে। সব সংস্কৃতির মধ্য দিয়েই ঐক্যের বন্ধন সৃষ্টি করতে চাই।
ঐতিহ্যবাহী বৈসু উৎসব উপলক্ষে হাজার ত্রিপুরা নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীরা তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী পোশাক রিনাই-রিসা, পুরুষেরা ধুতি-কুটি ও রিসা পরিধান করে র্যালিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুই প্রু চৌধুরী, পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য হিরন জয়, শতরুপা চাকমা, কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, খোকনেশ্বর ত্রিপুরা, বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক স্নেহাশীষ ত্রিপুরাসহ ত্রিপুরা সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে