আবদুল মান্নান, মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি)

পাহাড়ি মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় খাগড়াছড়ির টিলা-উপত্যকায় বিদেশি নানা জাতের আমের চাষ এখন রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়েছে। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও আমেরিকা থেকে আসা আমরুপালি, কিউজাই, মাহালিশা (ব্যানানা), রাংগুইন, ওয়েসটিং, চেয়াংমাইন, সাথোইরাজ, বারি-৪, সূর্যডিম, ব্রুনাইকিং, আমেরিকান, রেড ফালমার, কিংচাকাপাত, কাটিমনসহ দেশি হিমসাগর, হাঁড়িভাঙ্গা, ফজলি, ব্ল্যাকস্টোন ও মালির বাহারি স্বাদের আমে ছেয়ে গেছে পাহাড়। এখন চলছে জাতভেদে আম পাকার মৌসুম। তবে উৎপাদন ও স্বাদে অতুলনীয় হলেও বাজারদর নিয়ে চাষিদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।
তাঁদের মতে, সরকারি সহযোগিতা ছাড়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে এই আম সঠিকভাবে বাজারজাত করা সম্ভব নয়।
দেশের এক-দশমাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত পার্বত্য তিন জেলা—খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান। এখানকার জলবায়ু ও ভূমি মৌসুমি ফল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বিশেষ করে খাগড়াছড়ির টিলাভূমি সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানেই ফল চাষের ব্যাপ্তিও সর্বাধিক। ফলের স্বাদে বৈচিত্র্য, উৎপাদনে বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে পাহাড়ের ফলদ বাগান এখন সাফল্যের প্রতীক। তবে বাজারজাতকরণ ও রপ্তানিতে নেই কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি।
চাষিদের অভিযোগ, পচনশীল ফল বাজারজাত করতে গিয়ে তাঁদের পড়তে হচ্ছে নানা জটিলতায়। বিদেশে রপ্তানির সরকারি উদ্যোগ নেই। সমতলের বাজারে পৌঁছাতেও নেই পর্যাপ্ত লজিস্টিক সুবিধা। বাগান থেকে ফল সংগ্রহ, পরিবহন, চাঁদা আদায়, টোলসহ নানা প্রতিবন্ধকতা তাঁদের লাভের পথ আটকে দিচ্ছে।
জানা গেছে, জেলার ছয়টি উপজেলা—মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, গুইমারা, মানিকছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ির প্রায় ৩ হাজার হেক্টর টিলায় কয়েক হাজার চাষি গত দুই দশকে বিদেশি জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন। প্রতিটি জনপদ এখন রসালো আমের সুবাসে মুখর।
এর মধ্যে মানিকছড়ি উপজেলায় ৪৬৫ হেক্টর বাগানে চলতি মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার মেট্রিক টন। উপজেলা কৃষি অফিস ও দক্ষিণ খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির তথ্যমতে, পাহাড়ি মাটি ও জলবায়ুর কারণে সব জাতের আমগাছে ফল আসার সময় ও পাকার সময় ভিন্ন হয়। ফলে পর্যায়ক্রমে হারভেস্ট চালানো যায়। কিন্তু বাজারে একসঙ্গে আম উঠলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ চাষিদের।

দক্ষিণ খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতি ও জেনারেল গার্ডেনের মালিক আবু তাহের বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের মাটি, বাতাস, পরিবেশ সবই ফল চাষের জন্য অনুকূল। তবে বাগানে চাঁদা, টোল পয়েন্টে নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়, পরিবহন সমস্যাসহ নানা বাধা পেরিয়ে আমাদের ফল বাজারে তুলতে হয়। আর বিদেশে বাজারজাত করার মতো সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই।’
তিনি আরও জানান, গত বছর আমরুপালির মণ বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায়। এবার তা কমে হয়েছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। পর্যায়ক্রমে আরও কমার আশঙ্কা আছে।
মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আমাদের উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার মেট্রিকটন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। যদিও খরার কারণে কিছু মুকুল নষ্ট হয়েছে, তবে আমের আকার বড় হওয়ায় উৎপাদনে ঘাটতির সম্ভাবনা নেই।’
এখন শুধু প্রয়োজন সরকারি নীতিগত সহায়তা—বাজারজাতকরণে পরিকল্পিত ব্যবস্থা, পরিবহন খরচ কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির দ্বার উন্মুক্ত করা।

পাহাড়ি মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় খাগড়াছড়ির টিলা-উপত্যকায় বিদেশি নানা জাতের আমের চাষ এখন রীতিমতো বিপ্লব ঘটিয়েছে। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও আমেরিকা থেকে আসা আমরুপালি, কিউজাই, মাহালিশা (ব্যানানা), রাংগুইন, ওয়েসটিং, চেয়াংমাইন, সাথোইরাজ, বারি-৪, সূর্যডিম, ব্রুনাইকিং, আমেরিকান, রেড ফালমার, কিংচাকাপাত, কাটিমনসহ দেশি হিমসাগর, হাঁড়িভাঙ্গা, ফজলি, ব্ল্যাকস্টোন ও মালির বাহারি স্বাদের আমে ছেয়ে গেছে পাহাড়। এখন চলছে জাতভেদে আম পাকার মৌসুম। তবে উৎপাদন ও স্বাদে অতুলনীয় হলেও বাজারদর নিয়ে চাষিদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে।
তাঁদের মতে, সরকারি সহযোগিতা ছাড়া স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে এই আম সঠিকভাবে বাজারজাত করা সম্ভব নয়।
দেশের এক-দশমাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত পার্বত্য তিন জেলা—খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান। এখানকার জলবায়ু ও ভূমি মৌসুমি ফল উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বিশেষ করে খাগড়াছড়ির টিলাভূমি সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এখানেই ফল চাষের ব্যাপ্তিও সর্বাধিক। ফলের স্বাদে বৈচিত্র্য, উৎপাদনে বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে পাহাড়ের ফলদ বাগান এখন সাফল্যের প্রতীক। তবে বাজারজাতকরণ ও রপ্তানিতে নেই কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি।
চাষিদের অভিযোগ, পচনশীল ফল বাজারজাত করতে গিয়ে তাঁদের পড়তে হচ্ছে নানা জটিলতায়। বিদেশে রপ্তানির সরকারি উদ্যোগ নেই। সমতলের বাজারে পৌঁছাতেও নেই পর্যাপ্ত লজিস্টিক সুবিধা। বাগান থেকে ফল সংগ্রহ, পরিবহন, চাঁদা আদায়, টোলসহ নানা প্রতিবন্ধকতা তাঁদের লাভের পথ আটকে দিচ্ছে।
জানা গেছে, জেলার ছয়টি উপজেলা—মহালছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, গুইমারা, মানিকছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ির প্রায় ৩ হাজার হেক্টর টিলায় কয়েক হাজার চাষি গত দুই দশকে বিদেশি জাতের আমের বাগান গড়ে তুলেছেন। প্রতিটি জনপদ এখন রসালো আমের সুবাসে মুখর।
এর মধ্যে মানিকছড়ি উপজেলায় ৪৬৫ হেক্টর বাগানে চলতি মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার মেট্রিক টন। উপজেলা কৃষি অফিস ও দক্ষিণ খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির তথ্যমতে, পাহাড়ি মাটি ও জলবায়ুর কারণে সব জাতের আমগাছে ফল আসার সময় ও পাকার সময় ভিন্ন হয়। ফলে পর্যায়ক্রমে হারভেস্ট চালানো যায়। কিন্তু বাজারে একসঙ্গে আম উঠলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ চাষিদের।

দক্ষিণ খাগড়াছড়ি ফলদ বাগান মালিক সমিতির সভাপতি ও জেনারেল গার্ডেনের মালিক আবু তাহের বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের মাটি, বাতাস, পরিবেশ সবই ফল চাষের জন্য অনুকূল। তবে বাগানে চাঁদা, টোল পয়েন্টে নিয়মবহির্ভূত অর্থ আদায়, পরিবহন সমস্যাসহ নানা বাধা পেরিয়ে আমাদের ফল বাজারে তুলতে হয়। আর বিদেশে বাজারজাত করার মতো সরকারি কোনো উদ্যোগ নেই।’
তিনি আরও জানান, গত বছর আমরুপালির মণ বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকায়। এবার তা কমে হয়েছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায়। পর্যায়ক্রমে আরও কমার আশঙ্কা আছে।
মানিকছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জহির রায়হান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে আমাদের উপজেলায় প্রায় ৭ হাজার মেট্রিকটন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। যদিও খরার কারণে কিছু মুকুল নষ্ট হয়েছে, তবে আমের আকার বড় হওয়ায় উৎপাদনে ঘাটতির সম্ভাবনা নেই।’
এখন শুধু প্রয়োজন সরকারি নীতিগত সহায়তা—বাজারজাতকরণে পরিকল্পিত ব্যবস্থা, পরিবহন খরচ কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির দ্বার উন্মুক্ত করা।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে