
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা মোহাম্মদ এয়াকুব দৌলত প্রবাসজীবনের ব্যর্থতা কাটিয়ে আম্রপালি ও বার্মিজ জাতের রাংকোয়াচি আম চাষে সফলতা পেয়েছেন। প্রায় পাঁচ একর জমিতে গড়ে তোলা তার বাগানে এক হাজারের বেশি আমগাছ রয়েছে।

ঈদের ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজশাহীর আমের বাজারে। গুটি আমের দাম কমতে কমতে ৭০০ টাকা মণে ঠেকেছে। গোপালভোগ আটকে আছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে হিমসাগরের দাম বাড়তি। শুরুতেই এ আমের মণ ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের ছুটিতে আমের বাজার এলোমেলো হয়ে গেছে।

ইউরোপের বাজারে যাচ্ছে সাতক্ষীরার বিখ্যাত হিমসাগর আম। টানা দ্বাদশবারের মতো জেলার আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পৌঁছাতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা বাড়তে থাকায় আমচাষি ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে ফিরেছে নতুন আশাবাদ।

তীব্র দাবদাহ আর ঘামের অস্বস্তি ভুলে বাঙালির এখন একটাই তৃপ্তি—পাতে হিমসাগর, গোবিন্দভোগ। কিন্তু সেই আম কি সত্যিই নিরাপদ? নাকি মিষ্টি স্বাদের আড়ালে কামড় দিচ্ছেন রাসায়নিক বিষে? কৃত্রিম উপায়ে আম পাকানো নিয়ে উদ্বেগ এখন তুঙ্গে। পুষ্টিবিদদের মতে, বাজারে কৃত্রিমভাবে পাকানো আমের ভিড়ে আসল আম চিনে নেওয়া এখন...