মিল্টন চাকমা, মহালছড়ি (খাগড়াছড়ি)

খাগড়াছড়ির মহালছড়ির নুও পাড়ার বাসিন্দাদের পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম ভরসা এই সাঁকো। চলাচলের বিকল্প রাস্তাও নেই। ফলে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত সাঁকোটি বছর বছর মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে রাখে গ্রামবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাবুপাড়া গ্রামের পাশের নুও পাড়াতে চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের ৭০টি পরিবারের প্রায় ৩০০ লোকের বাস।
নুও পাড়া প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর। চলাচলের সুব্যবস্থা না থাকায় কৃষি পণ্য বাজারে নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাঁদের। এ ছাড়াও পাড়ার স্কুল-কলেজ ছেলেমেয়ে, প্রসূতি ও রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রেও দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রামবাসীদের।
পাড়াবাসীরা জানান, ২০১৫ সালের দিকে গ্রামের সড়কে একটি কালভার্ট নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। কালভার্টটি মাত্র কয়েক ফুট দূরত্ব কমায়। ফলে এটি তেমন কাজে আসেনি গ্রামবাসীর। শুরু থেকেই সাঁকো দিয়ে আরও পার হতে হয় প্রায় ৩০০ ফুট। বছর বছর সাঁকোর বাঁশ বদলে চললেও বদলায় না অবস্থা।
ভুক্তভোগী মংসিনু মারমা ও উগ্যজাই মারমা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ সমস্যার কথা কয়েকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবহিত করেছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। দ্রুত মাটি ভরাট করে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি তাদের।
সমস্যার কথা স্বীকার করে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দোঅংপ্রু মারমা বলেন, জমির ওপর দিয়ে মাটি ভরাট করে রাস্তা সংস্কার করতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ওপরই নির্ভর করছে কখন সমাধান হবে।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদে একটি প্রকল্প আবেদন করা হয়েছে। আশা করি প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন হবে।

খাগড়াছড়ির মহালছড়ির নুও পাড়ার বাসিন্দাদের পারাপারের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম ভরসা এই সাঁকো। চলাচলের বিকল্প রাস্তাও নেই। ফলে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত সাঁকোটি বছর বছর মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করে রাখে গ্রামবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাবুপাড়া গ্রামের পাশের নুও পাড়াতে চাকমা ও মারমা সম্প্রদায়ের ৭০টি পরিবারের প্রায় ৩০০ লোকের বাস।
নুও পাড়া প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ কৃষি নির্ভর। চলাচলের সুব্যবস্থা না থাকায় কৃষি পণ্য বাজারে নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় তাঁদের। এ ছাড়াও পাড়ার স্কুল-কলেজ ছেলেমেয়ে, প্রসূতি ও রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার ক্ষেত্রেও দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রামবাসীদের।
পাড়াবাসীরা জানান, ২০১৫ সালের দিকে গ্রামের সড়কে একটি কালভার্ট নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। কালভার্টটি মাত্র কয়েক ফুট দূরত্ব কমায়। ফলে এটি তেমন কাজে আসেনি গ্রামবাসীর। শুরু থেকেই সাঁকো দিয়ে আরও পার হতে হয় প্রায় ৩০০ ফুট। বছর বছর সাঁকোর বাঁশ বদলে চললেও বদলায় না অবস্থা।
ভুক্তভোগী মংসিনু মারমা ও উগ্যজাই মারমা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ সমস্যার কথা কয়েকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে অবহিত করেছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। দ্রুত মাটি ভরাট করে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি তাদের।
সমস্যার কথা স্বীকার করে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দোঅংপ্রু মারমা বলেন, জমির ওপর দিয়ে মাটি ভরাট করে রাস্তা সংস্কার করতে হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের ওপরই নির্ভর করছে কখন সমাধান হবে।
উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, রাস্তাটি সংস্কারের জন্য জেলা পরিষদে একটি প্রকল্প আবেদন করা হয়েছে। আশা করি প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদন হবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে